ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার অভিবাসন ব্যয় কমা‌তে কাজ কর‌ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়তে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘১০০ হর্ন’ লাগানো বাইকারের মোটরসাইকেল জব্দ করল পুলিশ এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম থামেনি স্বপ্ন, ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন কাঠমিস্ত্রি নাসিমুল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৪ কেজি গাঁ’জা ও ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১

দেহ ব্যবসার আঁতুড়ঘর মিরপুর মাজার গেটের কর্ণফুলী হোটেলে

  • স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ১৬০৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর দারুস সালাম থানা এলাকায় প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে অবৈধ গেস্ট হাউজ কিংবা আবাসিক হোটেল। আর এসব হোটেল ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে অপরাধের সংখ্যা। যেখানে গড়ে উঠেছে দেহ ব্যবসার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আর এই সারিতে প্রথমেই নাম উঠে এসেছে মাজার গেটের হোটেল কর্ণফুলির নাম। যেখানে হোটেল সেবার নামে চালাচ্ছে রমরমা দেহ ব্যবসা।

অসাধু ব্যবসায়ীদের দালাল চক্ররা রাজধানীর প্রায় সড়কে বা রাস্তা ঘাটে খদ্দের যোগানের আশায় থাকে। এতে বিব্রত হয়ে পড়ে স্কুল কলেজ কিংবা ভার্সিটি পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীরা। এমনকি ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা লজ্জায় চলাফেরা করতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম থানাধীন মাজার সংলগ্ন আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড টানিয়ে হোটেল ম্যানেজার চাঁদের সহযোগিতায় সমাজের অপৃত্তিকর নারী ও মাদক বাণিজ্যে বেপারোয়া হয়ে উঠছে কর্ণফুলী মালিক কর্তৃপক্ষ। যার একটি ফুটেজ সংগ্রহ রয়েছে আমাদের মাতৃভূমির হাতে। হোটেলটির সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ফ্রেশ কিন্তু ভিতরে চলে মাদক ও দেহ ব্যবসার রমরমা আয়োজন।

এই বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কর্ণফুলী হোটেল ম্যানেজার চাঁদ বলেন, আমরা মালিকের নির্দেশনায় এসব কাজ করে থাকি। আমাদের এটা একটি চাকুরি বলতে পারেন। আর পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সব সেক্টরে ম্যানেজ করে থাকেন মালিক কর্তৃপক্ষ। এসব হোটেলের বৈধতা সম্পর্ক জানতে চাইলে হোটেল ম্যানেজার চাঁদ তার কোন সৎ উত্তর দিতে পারেনি।

তথ্যে জানা যায়, পুলিশ কয়দিন পর পর হোটেলে অভিযান চালায় কিন্তু কিছুদিন না যেতেই সব ম্যানেজ হয়ে যায়। এসব ব্যবসার মূল হচ্ছে অর্থ ও সুন্দরী নারী কিংবা মাদক। তাই আপনাদের মত সাংবাদিকরা কোনো বিষয় না। এখানে পুলিশ সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির লোকজন আসে এবং আমাদের নিকট হতে মাসোহারা নিয়ে থাকেন। অতি লোভের আশায় অভিনব কৌশলে চলে এসব আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ কারবার। কিন্তু এসব বিষয়ে পুলিশ কিছুই জানেন না। পুলিশ এসবের বিরুদ্ধে কঠোর থাকলেও হয়ত সমাজের সামাজিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে।

পুলিশ চাইলে এসব অপরাধীদের দমন কারা কোন বিষয় না। এতে করে প্রশাসনের মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এসব সিন্ডিকেট আইনের আওতায় এনে সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখবে পুলিশ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এসব হোটেল বেশির ভাগ স্বামী-স্ত্রী সাজিয়ে বা সুন্দরী যুবতীদের রেখেই চলছে নারী সিন্ডিকেটের ভয়াবহ কর্মকাণ্ড। রয়েছে স্কর্ট সর্ভিসেরও ব্যবস্থা।

এবিষয়ে দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এসবের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে। ইতিপূর্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকটি হোটেলে একাধিক অভিযান চালিয়ে এসব অপরাধীদের গ্রেফতার করে মামলাও দিয়েছেন। এরপরও এসব অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে তারা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু বিষয় হলো এসব হোটেলগুলো পুলিশ যখন অভিযান চালায় তখন হোটেলের নিয়ন্ত্রণে থানা সিসি ক্যামেরায় দেখতে পেরে অপরাধীরা নিরাপদ স্থানে সরে পরে।
কিন্তু আর যেহেতু এসব আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের প্রয়োজন আছে। সেটি কিন্তু এসব হোটেলের নেই এবং আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে ডিএমপির কিছু নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার হদিস মিলছেনা এসব অবৈধ হোটেলে। সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

দেহ ব্যবসার আঁতুড়ঘর মিরপুর মাজার গেটের কর্ণফুলী হোটেলে

আপডেট সময় ০৩:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

রাজধানীর মিরপুর দারুস সালাম থানা এলাকায় প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে অবৈধ গেস্ট হাউজ কিংবা আবাসিক হোটেল। আর এসব হোটেল ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে অপরাধের সংখ্যা। যেখানে গড়ে উঠেছে দেহ ব্যবসার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আর এই সারিতে প্রথমেই নাম উঠে এসেছে মাজার গেটের হোটেল কর্ণফুলির নাম। যেখানে হোটেল সেবার নামে চালাচ্ছে রমরমা দেহ ব্যবসা।

অসাধু ব্যবসায়ীদের দালাল চক্ররা রাজধানীর প্রায় সড়কে বা রাস্তা ঘাটে খদ্দের যোগানের আশায় থাকে। এতে বিব্রত হয়ে পড়ে স্কুল কলেজ কিংবা ভার্সিটি পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীরা। এমনকি ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা লজ্জায় চলাফেরা করতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম থানাধীন মাজার সংলগ্ন আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড টানিয়ে হোটেল ম্যানেজার চাঁদের সহযোগিতায় সমাজের অপৃত্তিকর নারী ও মাদক বাণিজ্যে বেপারোয়া হয়ে উঠছে কর্ণফুলী মালিক কর্তৃপক্ষ। যার একটি ফুটেজ সংগ্রহ রয়েছে আমাদের মাতৃভূমির হাতে। হোটেলটির সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ফ্রেশ কিন্তু ভিতরে চলে মাদক ও দেহ ব্যবসার রমরমা আয়োজন।

এই বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কর্ণফুলী হোটেল ম্যানেজার চাঁদ বলেন, আমরা মালিকের নির্দেশনায় এসব কাজ করে থাকি। আমাদের এটা একটি চাকুরি বলতে পারেন। আর পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সব সেক্টরে ম্যানেজ করে থাকেন মালিক কর্তৃপক্ষ। এসব হোটেলের বৈধতা সম্পর্ক জানতে চাইলে হোটেল ম্যানেজার চাঁদ তার কোন সৎ উত্তর দিতে পারেনি।

তথ্যে জানা যায়, পুলিশ কয়দিন পর পর হোটেলে অভিযান চালায় কিন্তু কিছুদিন না যেতেই সব ম্যানেজ হয়ে যায়। এসব ব্যবসার মূল হচ্ছে অর্থ ও সুন্দরী নারী কিংবা মাদক। তাই আপনাদের মত সাংবাদিকরা কোনো বিষয় না। এখানে পুলিশ সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির লোকজন আসে এবং আমাদের নিকট হতে মাসোহারা নিয়ে থাকেন। অতি লোভের আশায় অভিনব কৌশলে চলে এসব আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ কারবার। কিন্তু এসব বিষয়ে পুলিশ কিছুই জানেন না। পুলিশ এসবের বিরুদ্ধে কঠোর থাকলেও হয়ত সমাজের সামাজিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে।

পুলিশ চাইলে এসব অপরাধীদের দমন কারা কোন বিষয় না। এতে করে প্রশাসনের মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এসব সিন্ডিকেট আইনের আওতায় এনে সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখবে পুলিশ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এসব হোটেল বেশির ভাগ স্বামী-স্ত্রী সাজিয়ে বা সুন্দরী যুবতীদের রেখেই চলছে নারী সিন্ডিকেটের ভয়াবহ কর্মকাণ্ড। রয়েছে স্কর্ট সর্ভিসেরও ব্যবস্থা।

এবিষয়ে দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এসবের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে। ইতিপূর্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকটি হোটেলে একাধিক অভিযান চালিয়ে এসব অপরাধীদের গ্রেফতার করে মামলাও দিয়েছেন। এরপরও এসব অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে তারা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু বিষয় হলো এসব হোটেলগুলো পুলিশ যখন অভিযান চালায় তখন হোটেলের নিয়ন্ত্রণে থানা সিসি ক্যামেরায় দেখতে পেরে অপরাধীরা নিরাপদ স্থানে সরে পরে।
কিন্তু আর যেহেতু এসব আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের প্রয়োজন আছে। সেটি কিন্তু এসব হোটেলের নেই এবং আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে ডিএমপির কিছু নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার হদিস মিলছেনা এসব অবৈধ হোটেলে। সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।