ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ মোবাইল কোর্টের অভিযানে হেলমেট না পরায় ৫ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য গোসিংগা ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: পবিপ্রবি উপাচার্য বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন, ব্যাংক লুটের খবর নেই : পার্থ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মিলন রানীর পাশে উপজেলা প্রশাসন জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করলে আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দেবেন না : ডা. শফিকুর রহমান

খাদ্যগুদাম থেকে ১৯৯ টন চাল-গম উধাও

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী খাদ্যগুদাম থেকে ১৯৯ টন চাল ও গম গায়েব হয়ে গেছে। বিভাগীয় তদন্তের পর এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর থেকে খাদ্য কর্মকর্তা কর্মস্থল থেকে চম্পট দিয়েছেন।

গাইবান্ধা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস জানায়, পলাশবাড়ী খাদ্য ওই গুদামের দায়িত্বে কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুল্লাহ মাসুম সিদ্দিকী। স্থানীয় একটি ব্যবসায়ী মহলের যোগসাজশে তিনি দিনে দিনে গুদাম থেকে চাল ও গমের বস্তা বের করে বিক্রি করতে থাকেন। কিন্তু গত ১৭ মে ঢাকা থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের ডিজি গাইবান্ধায় আসেন। তিনি গাইবান্ধার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে পলাশবাড়ী খাদ্য গুদামে নিয়মিত পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি গোডাউনে বস্তার গরমিল দেখতে পান। পরে চাল ও গমের বস্তার ঘাটতি দেখতে পান।

গত ২১ মে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মাসুম সিদ্দিকীকে স্ট্যান্ড-রিলিজ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাকিব রেজোয়ানকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি বিষয়টি গত ৩ জুন পর্যন্ত তদন্ত করেন। তদন্তে ১৯৯ টন চাল ও গম ঘাটতি ধরা পরে। যার মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭০০ টাকা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ৪ জুলাই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে তিনি কর্মস্থল থেকে চম্পট দিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তের জন্য দুদকে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান বলেন, বিপুল পরিমাণ চাল ও গম গুদাম থেকে গায়েব করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

খাদ্যগুদাম থেকে ১৯৯ টন চাল-গম উধাও

আপডেট সময় ০১:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী খাদ্যগুদাম থেকে ১৯৯ টন চাল ও গম গায়েব হয়ে গেছে। বিভাগীয় তদন্তের পর এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর থেকে খাদ্য কর্মকর্তা কর্মস্থল থেকে চম্পট দিয়েছেন।

গাইবান্ধা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস জানায়, পলাশবাড়ী খাদ্য ওই গুদামের দায়িত্বে কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুল্লাহ মাসুম সিদ্দিকী। স্থানীয় একটি ব্যবসায়ী মহলের যোগসাজশে তিনি দিনে দিনে গুদাম থেকে চাল ও গমের বস্তা বের করে বিক্রি করতে থাকেন। কিন্তু গত ১৭ মে ঢাকা থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের ডিজি গাইবান্ধায় আসেন। তিনি গাইবান্ধার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে পলাশবাড়ী খাদ্য গুদামে নিয়মিত পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি গোডাউনে বস্তার গরমিল দেখতে পান। পরে চাল ও গমের বস্তার ঘাটতি দেখতে পান।

গত ২১ মে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মাসুম সিদ্দিকীকে স্ট্যান্ড-রিলিজ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাকিব রেজোয়ানকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি বিষয়টি গত ৩ জুন পর্যন্ত তদন্ত করেন। তদন্তে ১৯৯ টন চাল ও গম ঘাটতি ধরা পরে। যার মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭০০ টাকা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ৪ জুলাই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে তিনি কর্মস্থল থেকে চম্পট দিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তের জন্য দুদকে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান বলেন, বিপুল পরিমাণ চাল ও গম গুদাম থেকে গায়েব করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।