ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর সঙ্গে মেয়েকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এক বাবা। আর কর্মচারীর সঙ্গে বাড়িতে রুমের ভেতরে মেয়েকে পেয়ে ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ওই বাবা। এরপর তিনি মেয়ের প্রেমিককে মারতে মারতে মেরেই ফেলেছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নিহত ওই যুবকের নাম কিরণ। তিনি কেরালার বাসিন্দা। অপরদিকে ওই মেয়ের বাবার নাম আনন্দ রাজ। তিনি তামিলনাড়ুর বাসিন্দা।
আনন্দ রাজ একটি ছোট ফ্যাক্টরির মালিক। সেখানে কর্মচারী হিসেবে প্রায় দুই বছর ধরে কাজ করছিলেন কিরণ।
পুলিশ জানিয়েছে, কিরণ তার ফ্যাক্টরির মালিকের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ নিয়ে বাবা আনন্দ রাজ খুশি ছিলেন না।
এরমধ্যে গত সোমবার সকালে আনন্দরাজ তার মেয়েকে বলেন তামিলনাড়ুতে নিজ গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। কিন্তু ওইদিন বিকেলে তিনি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাঙ্গালুরুর বাড়িতে ফিরে আসেন।
মালিক তামিলনাড়ুতে যাচ্ছেন এমন কথা জেনে কিরণ তার বাড়িতে যান এবং তার মেয়ের সঙ্গে বাড়ির একটি রুমে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় বাবা আনন্দরাজ এসে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
এরপর তিনি তার মেয়েকে স্ত্রীর সঙ্গে এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। অপরদিকে নিজের কর্মচারী কিরণকে বাড়ির ভেতর আটকান এবং সারারাত তাকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে পেটান। এরপরের দিন বিকেলে কিরণের পেটে লাথি মারেন তিনি। পেটে লাথি সহ্য করতে না পেরে কিরণ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এরপরও আনন্দরাজ তাকে একটি অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। এছাড়া ইতিমধ্যে আনন্দরাজকে গ্রেপ্তার করেছে তারা।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আনন্দ রাজের মেয়ে মায়সুরতে পড়ালেখা করতেন এবং একটি হোস্টেলে থাকতেন। তিনি সম্প্রতি ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। এরমধ্যেই বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে প্রেমিককে ঘরে নিয়ে আসেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























