সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তি ও উপকরণে তৈরি প্রথম এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফা’য’-এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে সফল হয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সামরিক বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা পাকিস্তানের মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে উল্লেখ করেছে আইএসপিআর। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফা’য অত্যাধুনিক টার্মিনাল গাইডেন্স ব্যবস্থায় সজ্জিত। এটি দূর থেকে শত্রুপক্ষের আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
আরও বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা ও নমনীয়তা বাড়াবে এবং দেশটির সামগ্রিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, উদ্ভাবনী শক্তি ও স্বনির্ভরতার প্রমাণ।
প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির এবং বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানেরা এই সফল পরীক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বিভাগের বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘ফাতাহ-২ এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ’ নামের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের বর্ধিত পাল্লার সংস্করণের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিল।
সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখার তথ্য অনুযায়ী, ‘ফাতাহ-২ এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ’ অস্ত্রব্যবস্থাটি উন্নত নেভিগেশন ও অত্যাধুনিক এভিওনিকস প্রযুক্তিতে সজ্জিত।
এ প্রসঙ্গে আইএসপিআরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর গতিপথ ও দিক পরিবর্তনের সক্ষমতার কারণে এটি শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























