যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হতে যাচ্ছেন আব্দুল এল সায়েদ। রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে দেশটির মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। সাবেক এই জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে হ্যালি স্টিভেন্সকে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত করে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।
বিজয়ের পর উচ্ছ্বসিত সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এল সায়েদ বলেন, যেসব মা-বাবা সন্তানদের বোঝাতে পারছিলেন না যে প্রেসিডেন্ট কেন একজন মানুষের নাম বা ধর্ম নিয়ে তামাশা করেন, তারা পরদিন সকালে সন্তানদের বলুন—খারাপ লোকগুলো হেরে গেছে।
তিনি বলেন, করের টাকা অন্য দেশের মানুষ ও তাদের সন্তানদের ওপর বোমা ফেলার কাজে ব্যয় না হয়ে নিজের দেশ ও সন্তানদের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে কি না, তা জানার অধিকার নিশ্চিত করা এত কঠিন হওয়া উচিত নয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ডোনাল্ড, আমি জানি, আমার নাম উচ্চারণ করতে তোমার বেশ কষ্ট হতো। তাই আগামী জানুয়ারিতে জেডি (ভ্যান্স) আমাকে শপথবাক্য পাঠ করানোর পর তুমি আমাকে সরাসরি “সিনেটর” বলেই ডাকতে পারো।’
আব্দুল এল সায়েদ ছোটবেলায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তাঁর মা-বাবা ছিলেন মিসরের অভিবাসী। যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর তাঁদের বিচ্ছেদ হলে বাবার ও সৎমায়ের কাছে বড় হন তিনি।
১৯৯৪ সালের পর থেকে মিশিগান অঙ্গরাজ্যে কোনো রিপাবলিকান প্রার্থী সিনেট নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। তবে দুই মেয়াদের ডেমোক্রেটিক সিনেটর গ্যারি পিটার্স অবসর নেওয়ায় আসনটি নিয়ে দল দুটির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























