ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোহাম্মদপুরে আকলিমা-নুরের নামজারি সিন্ডিকেট: ঘুষ না দিলেই ফাইল বন্দি ঢাবিতে ৯ ককটেল বিস্ফোরণ: আটক তিনজনের পরিচয় জানা গেল দুর্নীতিতে কার্যকারিতা হারিয়েছে সমবায় সমিতিগুলো: রাষ্ট্রপতি সরকারি ওষুধ কেনা-বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, রাজস্থলী হাসপাতালে দুদকের অভিযান এলজিইডির উদ্যোগে পঞ্চগড়ে তিন সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন আ.লীগের ফিরে আসা জনগণ মেনে নেবে না: রিজভী ২০২৯ সালের নির্বাচনে মোদি সরকারের পতনের ভবিষ্যদ্বাণী দীপকের ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখা নিয়ে ক্ষোভ, ডিসিকে অপসারণে ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ফ্লাইওভার থেকে পল্লবী থানায় ককটেল নিক্ষেপ দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণে পাকিস্তান গেলেন ৩৪ সরকারি কর্মকর্তা

জমির বিরোধে বিষ দিয়ে নষ্ট ৭ হাজার ফুলকপির চারা, ক্ষতি ৩ লাখ টাকা

মুন্সীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে কাশেম মীর নামে এক কৃষকের প্রায় ৭ হাজার ফুলকপির চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর আপন তিন ভাই ও এক ভাতিজার বিরুদ্ধে।

এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক।

অভিযুক্তরা হলেন—কাশেম মীরের ভাই আব্দুল হামিদ মীর, হাশেম মীর ও হানিফ মীর এবং ভাতিজা মামুন মীর।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কাশেম মীর অভিযোগ করে বলেন, তাঁর ভাইয়েরা পৈতৃক সম্পত্তির পাশাপাশি তাঁর ক্রয়কৃত জমিও দখল করে রেখেছেন। এখন তাঁকে পরিবারসহ উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই তাঁর ফসল নষ্ট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কাশেম মীরের ছোট ছেলে লালন মীর বলেন, ভোরে জমিতে ফুলকপি কাটতে গিয়ে চাচাতো ভাই মামুন মীর, চাচা আব্দুল হামিদ মীর ও হাশেম মীরকে দেখতে পান। এ সময় মামুন মীরের কাঁধে ওষুধ ছিটানোর একটি মেশিন ছিল। পরে সকাল ১০টার দিকে আবার জমিতে গিয়ে ফুলকপির পাতায় পোড়া দাগ দেখতে পান।

তাঁর অভিযোগ, ভোরে জমিতে ওষুধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জমি নিয়ে তাঁদের সঙ্গে চাচাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। চাচারা তাঁদের ক্রয়কৃত জমি দখল করে চাষাবাদ করছেন। এতে বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ফসল নষ্ট করা হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।

কৃষকের বড় ছেলে মোহন মীর বলেন, ছোট ভাইয়ের কান্নাকাটি দেখে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। পরে জানতে পারেন, তাঁদের প্রায় সব ফুলকপির চারা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জমি ছেড়ে দিতে বলায় তাঁদের বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে এবং মামলা-হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি তাঁদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা নিজেদের লাউগাছ নিজেরাই কেটে ফেলেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরে আকলিমা-নুরের নামজারি সিন্ডিকেট: ঘুষ না দিলেই ফাইল বন্দি

জমির বিরোধে বিষ দিয়ে নষ্ট ৭ হাজার ফুলকপির চারা, ক্ষতি ৩ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০৪:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মুন্সীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে কাশেম মীর নামে এক কৃষকের প্রায় ৭ হাজার ফুলকপির চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর আপন তিন ভাই ও এক ভাতিজার বিরুদ্ধে।

এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক।

অভিযুক্তরা হলেন—কাশেম মীরের ভাই আব্দুল হামিদ মীর, হাশেম মীর ও হানিফ মীর এবং ভাতিজা মামুন মীর।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কাশেম মীর অভিযোগ করে বলেন, তাঁর ভাইয়েরা পৈতৃক সম্পত্তির পাশাপাশি তাঁর ক্রয়কৃত জমিও দখল করে রেখেছেন। এখন তাঁকে পরিবারসহ উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই তাঁর ফসল নষ্ট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কাশেম মীরের ছোট ছেলে লালন মীর বলেন, ভোরে জমিতে ফুলকপি কাটতে গিয়ে চাচাতো ভাই মামুন মীর, চাচা আব্দুল হামিদ মীর ও হাশেম মীরকে দেখতে পান। এ সময় মামুন মীরের কাঁধে ওষুধ ছিটানোর একটি মেশিন ছিল। পরে সকাল ১০টার দিকে আবার জমিতে গিয়ে ফুলকপির পাতায় পোড়া দাগ দেখতে পান।

তাঁর অভিযোগ, ভোরে জমিতে ওষুধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জমি নিয়ে তাঁদের সঙ্গে চাচাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। চাচারা তাঁদের ক্রয়কৃত জমি দখল করে চাষাবাদ করছেন। এতে বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ফসল নষ্ট করা হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।

কৃষকের বড় ছেলে মোহন মীর বলেন, ছোট ভাইয়ের কান্নাকাটি দেখে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। পরে জানতে পারেন, তাঁদের প্রায় সব ফুলকপির চারা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জমি ছেড়ে দিতে বলায় তাঁদের বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে এবং মামলা-হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি তাঁদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা নিজেদের লাউগাছ নিজেরাই কেটে ফেলেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।