ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

অস্ত্র রপ্তানির শীর্ষস্থান হারাতে পারে রাশিয়া

উক্রেনে আগ্রাসন চালানোর পর রাশিয়ার ওপর দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রকার নিষেধাজ্ঞা। দেশটি এ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা নিয়েও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অস্ত্র বিক্রির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। মূলত এর মধ্য দিয়ে নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে দেশটি।

কিন্তু বিভিন্ন তথ্যে দেখা যায়, ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানিতে ধীরগতি এসেছে। এমনকি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ক্রমবর্ধমান বাজারেও ভাটা দেখা গেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চলতি বছরের প্রতিবেদন বলছে, গত পাঁচ বছরে রাশিয়ার সামরিক রপ্তানি ৩১ শতাংশ কমেছে।

নিষেধাজ্ঞার মুখে অস্ত্র উৎপাদনে প্রয়োজনীয় বিদেশি যন্ত্রাংশ পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে রাশিয়ার জন্য। এতে চুক্তি পূরণেও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে দেশটি। বিশ্লেষকরা বলেন, রাশিয়া বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র রপ্তানিকারকের তালিকা থেকে ছিটকে পড়তে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের আগে রাশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নেতৃস্থানীয় অস্ত্র সরবরাহকারী ছিল।

রাশিয়ার ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি-টেকনিক্যাল কো-অপারেশনের (এফএসএমটিসি) পরিচালক দিমিত্রি শুগায়েভ বলেন, বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মূলত রুশ অস্ত্র ব্যবসাকে দমিয়ে রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা নিজেদের ও অন্যান্য কারেন্সিতে লেনদেনের ব্যবস্থা করেছি। অস্ত্র ব্যবসা ঠিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

দ্য ডিপ্লোম্যাটের এক নিবন্ধে সেবাস্টিয়ান স্ট্র্যাঙ্গিও বলেন, ২০০১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রাশিয়া ১ হাজার ৯০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র সরবরাহ করেছে।

রাশিয়ার বৈশ্বিক অস্ত্র বিক্রি ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ২২ শতাংশ কমে হয়েছে ১৬ শতাংশ। বর্তমানে বৈশ্বিক অস্ত্র বিক্রির ৪০ শতাংশ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। ফ্রান্সের হাতে রয়েছে ১১ শতাংশ। সূত্র: এশিয়া টাইমস।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

অস্ত্র রপ্তানির শীর্ষস্থান হারাতে পারে রাশিয়া

আপডেট সময় ১১:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

উক্রেনে আগ্রাসন চালানোর পর রাশিয়ার ওপর দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রকার নিষেধাজ্ঞা। দেশটি এ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা নিয়েও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অস্ত্র বিক্রির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। মূলত এর মধ্য দিয়ে নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে দেশটি।

কিন্তু বিভিন্ন তথ্যে দেখা যায়, ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানিতে ধীরগতি এসেছে। এমনকি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ক্রমবর্ধমান বাজারেও ভাটা দেখা গেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চলতি বছরের প্রতিবেদন বলছে, গত পাঁচ বছরে রাশিয়ার সামরিক রপ্তানি ৩১ শতাংশ কমেছে।

নিষেধাজ্ঞার মুখে অস্ত্র উৎপাদনে প্রয়োজনীয় বিদেশি যন্ত্রাংশ পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে রাশিয়ার জন্য। এতে চুক্তি পূরণেও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে দেশটি। বিশ্লেষকরা বলেন, রাশিয়া বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র রপ্তানিকারকের তালিকা থেকে ছিটকে পড়তে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের আগে রাশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নেতৃস্থানীয় অস্ত্র সরবরাহকারী ছিল।

রাশিয়ার ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি-টেকনিক্যাল কো-অপারেশনের (এফএসএমটিসি) পরিচালক দিমিত্রি শুগায়েভ বলেন, বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মূলত রুশ অস্ত্র ব্যবসাকে দমিয়ে রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা নিজেদের ও অন্যান্য কারেন্সিতে লেনদেনের ব্যবস্থা করেছি। অস্ত্র ব্যবসা ঠিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

দ্য ডিপ্লোম্যাটের এক নিবন্ধে সেবাস্টিয়ান স্ট্র্যাঙ্গিও বলেন, ২০০১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রাশিয়া ১ হাজার ৯০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র সরবরাহ করেছে।

রাশিয়ার বৈশ্বিক অস্ত্র বিক্রি ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ২২ শতাংশ কমে হয়েছে ১৬ শতাংশ। বর্তমানে বৈশ্বিক অস্ত্র বিক্রির ৪০ শতাংশ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। ফ্রান্সের হাতে রয়েছে ১১ শতাংশ। সূত্র: এশিয়া টাইমস।