ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ সদস্য স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রতারিত হয়ে পটুয়াখালীতে স্বামীদের মানববন্ধন অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা উপড়ে ফেলতে হবে : রিজভী ভোলায় পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসুচির উদ্বোধন রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার শ্রীপুর পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন আবুল মনসুর মন্ডল যৌতুক মামলায় আদালতে বাদীপক্ষের হাতে মার খেলেন আইনজীবী ও আসামি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস, নবীপ্রেমের সুমহান বার্তায় মুখরিত জনপদ রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমেরিকান সংগীতজগতের কিংবদন্তি ডলি পার্টন আর নেই

পুতিনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা, আদালতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি রাশিয়ার

প্রেসিডেন্ট পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ভেতর ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি দিয়েছে রাশিয়া।

দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ সোমবার (২০ মার্চ) এক টুইট বার্তায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আদালতে আঘাত হানার হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘এটি চিন্তা করা সম্ভব সাগরে অবস্থানরত রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ থেকে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হেগের আদালত ভবনের ভেতর আঘাত করেছে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘সবাই সৃষ্টিকর্তা ও রকেটের অধীনে আছে…সতর্কতার সঙ্গে আকাশের দিকে তাকান।’

পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জেরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ও বিচারকদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে রাশিয়া।

রাশিয়ার এসব হুমকি-ধামকি দেওয়ার পর নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এসব ‘হুমকিতে চিন্তিত।’

আইসিসি পরিষদের প্রেসিডেন্সি এ ব্যাপারে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দেওয়ায় প্রচেষ্টায় আমরা অত্যন্ত ব্যথিত।’

গত ১৭ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও প্রেসিডেন্ট দপ্তরের শিশু অধিকার বিষয়ক কমিশনার মারিয়া লোভা-বেলোভার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইউক্রেন থেকে শিশুদের জোরপূর্বক রাশিয়ায় নিয়ে এসেছেন তারা। যা যুদ্ধাপরাধের শামিল।

বিশ্বের ১২৩টি দেশ এই আদালতের সদস্য। বিধি অনুযায়ী, আইসিসি যখন কারও বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে এবং অভিযুক্ত যদি্ এই সদস্য দেশগুলোতে যান তাহলে তাকে আটক করতে হবে এবং আদালতের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আইসিসির নিজস্ব কোনো পুলিশ বাহিনী নেই। ফলে এই আদালত পুরোপুরি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ওপর নির্ভরশীল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ সদস্য

পুতিনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা, আদালতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি রাশিয়ার

আপডেট সময় ১২:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩

প্রেসিডেন্ট পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ভেতর ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি দিয়েছে রাশিয়া।

দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ সোমবার (২০ মার্চ) এক টুইট বার্তায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আদালতে আঘাত হানার হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘এটি চিন্তা করা সম্ভব সাগরে অবস্থানরত রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ থেকে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হেগের আদালত ভবনের ভেতর আঘাত করেছে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘সবাই সৃষ্টিকর্তা ও রকেটের অধীনে আছে…সতর্কতার সঙ্গে আকাশের দিকে তাকান।’

পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জেরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ও বিচারকদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে রাশিয়া।

রাশিয়ার এসব হুমকি-ধামকি দেওয়ার পর নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এসব ‘হুমকিতে চিন্তিত।’

আইসিসি পরিষদের প্রেসিডেন্সি এ ব্যাপারে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দেওয়ায় প্রচেষ্টায় আমরা অত্যন্ত ব্যথিত।’

গত ১৭ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও প্রেসিডেন্ট দপ্তরের শিশু অধিকার বিষয়ক কমিশনার মারিয়া লোভা-বেলোভার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইউক্রেন থেকে শিশুদের জোরপূর্বক রাশিয়ায় নিয়ে এসেছেন তারা। যা যুদ্ধাপরাধের শামিল।

বিশ্বের ১২৩টি দেশ এই আদালতের সদস্য। বিধি অনুযায়ী, আইসিসি যখন কারও বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে এবং অভিযুক্ত যদি্ এই সদস্য দেশগুলোতে যান তাহলে তাকে আটক করতে হবে এবং আদালতের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আইসিসির নিজস্ব কোনো পুলিশ বাহিনী নেই। ফলে এই আদালত পুরোপুরি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ওপর নির্ভরশীল।