ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০ লিটার তেলে ৪৬০ মিলিলিটার কম, মতিঝিলের ফিলিং স্টেশনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা স্পিকারের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু পঞ্চগড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ ও পরামর্শ বক্স বিতরণ করল জেলা পরিষদ জমি দখল করতে শতাধিক ফলগাছের সর্বনাশ করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা কামরুজ্জামান জাতীয় সংসদ ভবনে বসছে সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাজধানীর তালতলা সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ বড়লেখায় প্রতারক চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৫ ভরির বেশি স্বর্ণ তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চায় না আমিরাত, তবে ‘খারাপ পরিস্থিতির’ প্রস্তুতি

রাজধানীর তালতলা সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন তালতলা সুপার মার্কেট এলাকায় দোকানের চাঁদা তোলা এবং ফুটপাত ও ভেতরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ১ নভেম্বর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে পুরো মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে জানা গেছে, তালতলা সুপার মার্কেটের ভেতরের অংশ এবং বাইরের ফুটপাতের চাঁদা তোলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটি গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

মার্কেটের ভেতরের গ্রুপ: মার্কেটের ভেতরের অংশে নিয়ন্ত্রণ রেখে চাঁদা আদায় করত ‘শেখ আলম’ ও ‘বড় মিয়া’র নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ।

বাইরের ফুটপাত গ্রুপ: অন্যদিকে মার্কেটের বাইরে ও গেটের সংলগ্ন ফুটপাতের অংশ থেকে টাকা তুলত ‘বাবু’ ও ‘শহিদুলের’ নিয়ন্ত্রণাধীন অপর একটি গ্রুপ।

অভিযোগ উঠেছে, শেখ আলম ও বড় মিয়ার গ্রুপ পুরো মার্কেটের ভেতরের পাশাপাশি বাইরের ফুটপাতসহ আশপাশের সব দোকান থেকে একচ্ছত্র চাঁদা নিজেদের কবজায় নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ফুটপাতের টাকা আদায় ও এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বচসার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষ, মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় লিপ্ত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে সাধারণ ক্রেতা ও দোকানদারদের মধ্যে চরম হুড়োহুড়ি লেগে যায় এবং ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে দোকানপাট বন্ধ করতে বাধ্য হন। এ সময় রামপুরা থানা পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতি লক্ষ করা গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ বা কোনো পক্ষকে ছত্রভঙ্গ না করায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং তালতলা সুপার মার্কেট ও আশপাশের ফুটপাত চাঁদাবাজমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ লিটার তেলে ৪৬০ মিলিলিটার কম, মতিঝিলের ফিলিং স্টেশনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

রাজধানীর তালতলা সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন তালতলা সুপার মার্কেট এলাকায় দোকানের চাঁদা তোলা এবং ফুটপাত ও ভেতরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ১ নভেম্বর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে পুরো মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে জানা গেছে, তালতলা সুপার মার্কেটের ভেতরের অংশ এবং বাইরের ফুটপাতের চাঁদা তোলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটি গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

মার্কেটের ভেতরের গ্রুপ: মার্কেটের ভেতরের অংশে নিয়ন্ত্রণ রেখে চাঁদা আদায় করত ‘শেখ আলম’ ও ‘বড় মিয়া’র নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ।

বাইরের ফুটপাত গ্রুপ: অন্যদিকে মার্কেটের বাইরে ও গেটের সংলগ্ন ফুটপাতের অংশ থেকে টাকা তুলত ‘বাবু’ ও ‘শহিদুলের’ নিয়ন্ত্রণাধীন অপর একটি গ্রুপ।

অভিযোগ উঠেছে, শেখ আলম ও বড় মিয়ার গ্রুপ পুরো মার্কেটের ভেতরের পাশাপাশি বাইরের ফুটপাতসহ আশপাশের সব দোকান থেকে একচ্ছত্র চাঁদা নিজেদের কবজায় নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ফুটপাতের টাকা আদায় ও এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বচসার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষ, মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় লিপ্ত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে সাধারণ ক্রেতা ও দোকানদারদের মধ্যে চরম হুড়োহুড়ি লেগে যায় এবং ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে দোকানপাট বন্ধ করতে বাধ্য হন। এ সময় রামপুরা থানা পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতি লক্ষ করা গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ বা কোনো পক্ষকে ছত্রভঙ্গ না করায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং তালতলা সুপার মার্কেট ও আশপাশের ফুটপাত চাঁদাবাজমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।