যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ শুরু হোক, তা চায় না সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে কোনো কারণে যুদ্ধ শুরু হলে দেশটি সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাহরাইনের রাজধানী মানামায় এক সম্মেলনে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস এ কথা জানান। তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা, আমরা এই সংঘাতে কূটনৈতিক অগ্রগতি দেখতে পাব। এই অঞ্চল আরেক দফা যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তবে আমরাও, যেমনটা আগে দেখিয়েছি, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।”
গত সপ্তাহে ইরানের রাজধানী তেহরানে যান কাতারের প্রতিনিধিরা। ওই সময় তাঁরা ইরানি প্রতিনিধিদের দোহায় নিয়ে যেতে সম্মত হন। এরপর গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত ইরানি প্রতিনিধিরা দোহায় অবস্থান করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ব্যাপক পাল্টা হামলা চালায় ইরানি বাহিনী। এর মধ্যে আমিরাতেই সবচেয়ে বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। কারণ, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইরানে সরাসরি হামলায় আমিরাতও জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে দেশটি।
ইরান এবারও আমিরাতসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দেশকে সতর্ক করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কোনো ধরনের সহায়তা করে, তাহলে তাদের পাল্টা হামলার মুখোমুখি হতে হবে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করতে পারে মার্কিন বাহিনী।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























