ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবগঞ্জে বালু-মাটির নিচে চাপা অবস্থায় জীবিত উদ্ধার কন্যাশিশু ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ফেলে পালাল পাচারকারীরা রোগীদের ভোগান্তি কমাতে মুগদা হাসপাতালে চালু ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট, উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিব অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতিতে তদবিরের দৌড়ঝাঁপ, আলোচনায় আওয়ামী আমলের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা দিনাজপুর-নেত্রকোনা পেরিয়ে জামালপুর,সার্ভেয়ার আল-আমিনকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত ৫৪ সরকারি বাসায় অনিয়মের প্রমাণ পেল দুদক এসআরবির প্রধান পদে পরিবর্তন, দায়িত্ব পেলেন ফারুক আহমেদ ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ তকমা দিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ১০ লাখ নিয়ে বাকি টাকা নিতে গিয়ে ধরা ডিএসসিসিতে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু, আবেদন করলেই মিলবে না অনুমতি ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীকে বশ, বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক কবিরাজের!

মিরপুরে আর বসতে পারবেন না হকাররা, বিকল্প জায়গায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এলাকার ফুটপাতে হকারদের আর বসতে দেওয়া হবে না। তবে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়ে কাজ চলছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে হকার্স প্রতিনিধিদল মিরপুরসহ সব এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেন।

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, হকাররা আমাদেরই অংশ। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে, বিশেষ করে মিরপুর-১০, মিরপুর-১ ও উত্তরায় বিকল্প জায়গা খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত তাঁদের বিকল্প বসার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য হলিডে মার্কেটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।

প্রশাসক আরও বলেন, হকারদের জন্য বিকল্প স্থানে ৩০০ থেকে ৫০০টি দোকান বসানোর ব্যবস্থা করা হলে ক্রেতারাও সেখানে আসবেন এবং কেনাবেচা ভালো হবে। বাধ্য হয়েই ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজকের পরিস্থিতির জন্য কিছু সিন্ডিকেট ও হকার নিজেরাই দায়ী। কারণ, তাঁরা ফুটপাত ছাড়িয়ে রাস্তা পর্যন্ত দখল করে রেখেছিলেন। সেখানে সাধারণ মানুষের হাঁটার কোনো জায়গা ছিল না। উচ্ছেদ অভিযানের পর মানুষ বুঝতে পেরেছে, ফুটপাত মূলত পথচারীদের জন্য। সাধারণ মানুষও এ উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে।

সাক্ষাৎকালে হকার প্রতিনিধিদল ও প্রশাসক একমত পোষণ করেন যে, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হকারদের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। আগে যাঁরা হকারি করতেন, তাঁদের বিকল্প স্থানে বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। প্রশাসক প্রতিনিধিদলকে জানান, বিকল্প স্থানে হকারদের নিজস্ব চাকাচালিত দোকান থাকবে। সেখানে কোনো চৌকি বসানো যাবে না।

সাক্ষাৎকালে গুলশান জোনের ডিসি মো. রুহুল কবির, গুলশান থানার ওসি ও বনানী থানার ওসিসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবগঞ্জে বালু-মাটির নিচে চাপা অবস্থায় জীবিত উদ্ধার কন্যাশিশু

মিরপুরে আর বসতে পারবেন না হকাররা, বিকল্প জায়গায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৫:১২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এলাকার ফুটপাতে হকারদের আর বসতে দেওয়া হবে না। তবে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়ে কাজ চলছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে হকার্স প্রতিনিধিদল মিরপুরসহ সব এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেন।

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, হকাররা আমাদেরই অংশ। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে, বিশেষ করে মিরপুর-১০, মিরপুর-১ ও উত্তরায় বিকল্প জায়গা খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত তাঁদের বিকল্প বসার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য হলিডে মার্কেটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।

প্রশাসক আরও বলেন, হকারদের জন্য বিকল্প স্থানে ৩০০ থেকে ৫০০টি দোকান বসানোর ব্যবস্থা করা হলে ক্রেতারাও সেখানে আসবেন এবং কেনাবেচা ভালো হবে। বাধ্য হয়েই ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজকের পরিস্থিতির জন্য কিছু সিন্ডিকেট ও হকার নিজেরাই দায়ী। কারণ, তাঁরা ফুটপাত ছাড়িয়ে রাস্তা পর্যন্ত দখল করে রেখেছিলেন। সেখানে সাধারণ মানুষের হাঁটার কোনো জায়গা ছিল না। উচ্ছেদ অভিযানের পর মানুষ বুঝতে পেরেছে, ফুটপাত মূলত পথচারীদের জন্য। সাধারণ মানুষও এ উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে।

সাক্ষাৎকালে হকার প্রতিনিধিদল ও প্রশাসক একমত পোষণ করেন যে, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হকারদের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। আগে যাঁরা হকারি করতেন, তাঁদের বিকল্প স্থানে বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। প্রশাসক প্রতিনিধিদলকে জানান, বিকল্প স্থানে হকারদের নিজস্ব চাকাচালিত দোকান থাকবে। সেখানে কোনো চৌকি বসানো যাবে না।

সাক্ষাৎকালে গুলশান জোনের ডিসি মো. রুহুল কবির, গুলশান থানার ওসি ও বনানী থানার ওসিসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।