ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ ও পরামর্শ বক্স বিতরণ করল জেলা পরিষদ জমি দখল করতে শতাধিক ফলগাছের সর্বনাশ করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা কামরুজ্জামান জাতীয় সংসদ ভবনে বসছে সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাজধানীর তালতলা সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ বড়লেখায় প্রতারক চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৫ ভরির বেশি স্বর্ণ তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চায় না আমিরাত, তবে ‘খারাপ পরিস্থিতির’ প্রস্তুতি মিরপুরে আর বসতে পারবেন না হকাররা, বিকল্প জায়গায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ ঔষধ প্রশাসনের আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালসের দুর্নীতির জালে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় বাধার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন

পঞ্চগড়ের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোকে আধুনিকায়ন, অবকাঠামোগত সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এম. এ. মজিদ।

সোমবার (২ নভেম্বর) তিনি জেলা পরিষদের নবাগত ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হককে সঙ্গে নিয়ে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক ডাকবাংলোর সার্বিক অবকাঠামো, বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা এবং চলমান ও পরিকল্পিত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সেবার মান, পরিবেশ এবং অবকাঠামোগত অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

ডাকবাংলোর পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটকবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এম. এ. মজিদ।

তিনি বলেন, “তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোকে একটি আধুনিক, নান্দনিক ও পর্যটকবান্ধব স্থাপনা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্নত পরিবেশ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”

উল্লেখ্য, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলার অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বিকশিত হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনীতির প্রসার এবং জেলার পর্যটন খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ ও পরামর্শ বক্স বিতরণ করল জেলা পরিষদ

তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন

আপডেট সময় ০৫:৪৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোকে আধুনিকায়ন, অবকাঠামোগত সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এম. এ. মজিদ।

সোমবার (২ নভেম্বর) তিনি জেলা পরিষদের নবাগত ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হককে সঙ্গে নিয়ে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক ডাকবাংলোর সার্বিক অবকাঠামো, বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা এবং চলমান ও পরিকল্পিত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সেবার মান, পরিবেশ এবং অবকাঠামোগত অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

ডাকবাংলোর পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটকবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এম. এ. মজিদ।

তিনি বলেন, “তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোকে একটি আধুনিক, নান্দনিক ও পর্যটকবান্ধব স্থাপনা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্নত পরিবেশ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”

উল্লেখ্য, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলার অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বিকশিত হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনীতির প্রসার এবং জেলার পর্যটন খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।