ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণপূর্তের মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএ নারীকাণ্ডে বরখাস্ত সেই আরিফকে অন্য বিভাগে পদায়ন চট্টগ্রাম কাস্টমসের ওমর কাউসার ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, নীরব কর্তৃপক্ষ বড়লেখায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে নিসচার উদ্যোগে শিক্ষার্থী সমাবেশ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মৌলভীবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের কারাদণ্ড অন্যের হাত ধরে উধাও স্ত্রী, প্রবাসী বললেন-কাবাঘরে গিয়ে বিচার দিবো মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ, ৩ কর্মকর্তা এবার ওএসডি রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে বাস উল্টে হেলপার নিহত, আহত ২০

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে চাপে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছিল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল লিকুদ পার্টি। তবে সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি পুলিশ।

একাধিক হিব্রুভাষী সংবাদমাধ্যমকে ইসরায়েলি পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, এবারের নির্বাচনে অনিয়মের ঘটনা খুবই কম ঘটেছে। এমনকি আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার অনিয়মের ঘটনা আরও কম।

ইসরায়েলি আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সম্পর্কে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এমন দাবির পক্ষে তদন্তমূলক কিংবা গোয়েন্দাভিত্তিক কোনো তথ্য-প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ২৬তম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গতকাল। এবারের নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ইসরায়েলি আরব দলগুলো। এই প্রথম তারা নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে রেকর্ড ১৯টিতে জয় পেয়েছে। এর আগে কোনো নির্বাচনে এতসংখ্যক আসনে জয় পায়নি আরব দলগুলো।

এই উত্থানকে স্বাভাবিকভাবেই ইতিবাচকভাবে নেয়নি লিকুদ পার্টি। আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে ২৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, ইসরায়েলের নির্বাচন আরব দলগুলো চুরি করেছে। দলটির অভিযোগ, এসব দল সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এবং দুর্নীতি, হুমকি, সহিংসতা ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে নির্মূল করতে চায়। তারা নিষিদ্ধ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভোটারদের ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করেছে বলেও অভিযোগ করে লিকুদ পার্টি। দলটির দাবি, এসব অভিযোগের প্রমাণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনে গৃহীত ভোটের প্রায় সবই ইতোমধ্যে গণনা করা হয়েছে। চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ১২০টি আসনের মধ্যে ৫৩টিতে জয়ী হয়েছে লিকুদ পার্টি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলো। অন্যদিকে, গাদি আইজেনকোটের রাজনৈতিক দল ইয়াশার ও তার নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন।

অর্থাৎ, কোনো পক্ষই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে উল্লিখিত দুই জোটের কোনো একটি সরকার গঠন করতে চাইলে আরব দলগুলোর সমর্থন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণপূর্তের মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে চাপে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি

আপডেট সময় ০২:৩৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছিল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল লিকুদ পার্টি। তবে সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি পুলিশ।

একাধিক হিব্রুভাষী সংবাদমাধ্যমকে ইসরায়েলি পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, এবারের নির্বাচনে অনিয়মের ঘটনা খুবই কম ঘটেছে। এমনকি আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার অনিয়মের ঘটনা আরও কম।

ইসরায়েলি আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সম্পর্কে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এমন দাবির পক্ষে তদন্তমূলক কিংবা গোয়েন্দাভিত্তিক কোনো তথ্য-প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ২৬তম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গতকাল। এবারের নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ইসরায়েলি আরব দলগুলো। এই প্রথম তারা নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে রেকর্ড ১৯টিতে জয় পেয়েছে। এর আগে কোনো নির্বাচনে এতসংখ্যক আসনে জয় পায়নি আরব দলগুলো।

এই উত্থানকে স্বাভাবিকভাবেই ইতিবাচকভাবে নেয়নি লিকুদ পার্টি। আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে ২৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, ইসরায়েলের নির্বাচন আরব দলগুলো চুরি করেছে। দলটির অভিযোগ, এসব দল সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এবং দুর্নীতি, হুমকি, সহিংসতা ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে নির্মূল করতে চায়। তারা নিষিদ্ধ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভোটারদের ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করেছে বলেও অভিযোগ করে লিকুদ পার্টি। দলটির দাবি, এসব অভিযোগের প্রমাণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনে গৃহীত ভোটের প্রায় সবই ইতোমধ্যে গণনা করা হয়েছে। চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ১২০টি আসনের মধ্যে ৫৩টিতে জয়ী হয়েছে লিকুদ পার্টি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলো। অন্যদিকে, গাদি আইজেনকোটের রাজনৈতিক দল ইয়াশার ও তার নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন।

অর্থাৎ, কোনো পক্ষই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে উল্লিখিত দুই জোটের কোনো একটি সরকার গঠন করতে চাইলে আরব দলগুলোর সমর্থন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।