ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মৌলভীবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের কারাদণ্ড অন্যের হাত ধরে উধাও স্ত্রী, প্রবাসী বললেন-কাবাঘরে গিয়ে বিচার দিবো মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ, ৩ কর্মকর্তা এবার ওএসডি রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে বাস উল্টে হেলপার নিহত, আহত ২০ চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত রাস্তা-ফুটপাতে হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জাল ভোটের অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা মেসিকে পেছনে ফেলে সর্বকালের সেরা রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অর

মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ, ৩ কর্মকর্তা এবার ওএসডি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৯:১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

এই তিন কর্মকর্তা ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি।

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রতারণা ও জালিয়াতি করে ২৯তম বিসিএসে চাকরি বাগিয়ে নেওয়া তিন অ্যাডমিন ক্যাডারকে এবার উপসচিব থেকে ওএসডি করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওএসডি হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন জামালপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার তোফাজ্জল হোসেন, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক।

এই তিন কর্মকর্তা ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সময় জমা দেওয়া সনদ ও কোটার যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে এ ব্যবস্থা নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২৯তম বিসিএসে নিয়োগের প্রথম গেজেট হয় ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ জুলাই। তখন প্রশাসন ক্যাডারে ১৮৪ জনের নামে গেজেট হয়। ওই সময় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় ১৪টি পদ ফাঁকা ছিল। প্রথম গেজেটের ১৩ মাস পর ওএসডি হওয়া এই তিন কর্মকর্তাসহ আরও কয়েকজনের নামে গেজেট প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

গত ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে বলা হয়, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় আবেদন না করেও ২৯তম বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের অভিযোগে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক আলাদা ছয়টি মামলা করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়।

ওই চিঠি দেওয়ার ছয় মাস পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তিনজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল। বাকি তিনজন পুলিশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা। তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি

মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ, ৩ কর্মকর্তা এবার ওএসডি

আপডেট সময় ০৯:১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

এই তিন কর্মকর্তা ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি।

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রতারণা ও জালিয়াতি করে ২৯তম বিসিএসে চাকরি বাগিয়ে নেওয়া তিন অ্যাডমিন ক্যাডারকে এবার উপসচিব থেকে ওএসডি করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওএসডি হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন জামালপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার তোফাজ্জল হোসেন, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক।

এই তিন কর্মকর্তা ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সময় জমা দেওয়া সনদ ও কোটার যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে এ ব্যবস্থা নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২৯তম বিসিএসে নিয়োগের প্রথম গেজেট হয় ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ জুলাই। তখন প্রশাসন ক্যাডারে ১৮৪ জনের নামে গেজেট হয়। ওই সময় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় ১৪টি পদ ফাঁকা ছিল। প্রথম গেজেটের ১৩ মাস পর ওএসডি হওয়া এই তিন কর্মকর্তাসহ আরও কয়েকজনের নামে গেজেট প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

গত ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে বলা হয়, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় আবেদন না করেও ২৯তম বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের অভিযোগে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক আলাদা ছয়টি মামলা করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়।

ওই চিঠি দেওয়ার ছয় মাস পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তিনজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল। বাকি তিনজন পুলিশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা। তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।