ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির দোয়া মাহফিল কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা

আমার শহরে অভিবাসীদের ‘কোনো জায়গা নেই’: নিউইয়র্কের মেয়র

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অভিবাসীদের জন্য ‘কোনও জায়গা নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন শহরটির মেয়র এরিক অ্যাডামস। স্থানীয় সময় রোববার (১৫ জানুয়ারি) তিনি মেক্সিকান সীমান্ত শহর এল পাসো সফরের সময় এই মন্তব্য করেন।

সেখানে তিনি বলেন, আমেরিকার সবচেয়ে জনবহুল শহরে অভিবাসীদের বাসে করে পাঠানোর জন্য ‘নিউইয়র্কে কোনও জায়গা নেই’। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরিক অ্যাডামস একজন ডেমোক্র্যাট রাজনীতিক হলেও ডেমোক্র্যাটিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনেরও সমালোচনা করেছেন তিনি। নিউইয়র্ক শহরের এই মেয়রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসী সংকট সম্পর্কে ‘এখন কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে’।

রয়টার্স বলছে, অভিবাসী ইস্যুতে নিউইয়র্কের মেয়রের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কোনও শহরে সফর এক নজিরবিহীন ঘটনা। বার্তাসংস্থাটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পরিচালিত অঙ্গরাজ্যগুলো অভিবাসীদের বাসে করে উত্তর নিউইয়র্কসহ অন্যান্য শহরে পাঠিয়ে থাকে। এটি নিউইয়র্কে আবাসন সংকট এবং শহরে গৃহহীনদের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রয়টার্স বলছে, সীমান্ত শহর এল পাসোতে মেয়র এরিক অ্যাডামস এমন এক সময়ে সফর করলেন যখন কয়েকদিন আগেই তিনি বলেছেন, নিউইয়র্কে অভিবাসীদের আগমনের কারণে শহরটি প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হতে পারে। আর সেটিও এমন এক সময় যখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল এই শহরটি ইতোমধ্যেই বড় ধরনের বাজেট ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নররা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পেতে ইচ্ছুক হাজার হাজার অভিবাসীকে নিউইয়র্ক, শিকাগো এবং ওয়াশিংটন ডিসিসহ ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতিবিদদের পরিচালিত শহরগুলোতে পাঠিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির দোয়া মাহফিল

আমার শহরে অভিবাসীদের ‘কোনো জায়গা নেই’: নিউইয়র্কের মেয়র

আপডেট সময় ০২:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অভিবাসীদের জন্য ‘কোনও জায়গা নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন শহরটির মেয়র এরিক অ্যাডামস। স্থানীয় সময় রোববার (১৫ জানুয়ারি) তিনি মেক্সিকান সীমান্ত শহর এল পাসো সফরের সময় এই মন্তব্য করেন।

সেখানে তিনি বলেন, আমেরিকার সবচেয়ে জনবহুল শহরে অভিবাসীদের বাসে করে পাঠানোর জন্য ‘নিউইয়র্কে কোনও জায়গা নেই’। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরিক অ্যাডামস একজন ডেমোক্র্যাট রাজনীতিক হলেও ডেমোক্র্যাটিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনেরও সমালোচনা করেছেন তিনি। নিউইয়র্ক শহরের এই মেয়রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসী সংকট সম্পর্কে ‘এখন কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে’।

রয়টার্স বলছে, অভিবাসী ইস্যুতে নিউইয়র্কের মেয়রের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কোনও শহরে সফর এক নজিরবিহীন ঘটনা। বার্তাসংস্থাটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পরিচালিত অঙ্গরাজ্যগুলো অভিবাসীদের বাসে করে উত্তর নিউইয়র্কসহ অন্যান্য শহরে পাঠিয়ে থাকে। এটি নিউইয়র্কে আবাসন সংকট এবং শহরে গৃহহীনদের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রয়টার্স বলছে, সীমান্ত শহর এল পাসোতে মেয়র এরিক অ্যাডামস এমন এক সময়ে সফর করলেন যখন কয়েকদিন আগেই তিনি বলেছেন, নিউইয়র্কে অভিবাসীদের আগমনের কারণে শহরটি প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হতে পারে। আর সেটিও এমন এক সময় যখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল এই শহরটি ইতোমধ্যেই বড় ধরনের বাজেট ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নররা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পেতে ইচ্ছুক হাজার হাজার অভিবাসীকে নিউইয়র্ক, শিকাগো এবং ওয়াশিংটন ডিসিসহ ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতিবিদদের পরিচালিত শহরগুলোতে পাঠিয়েছেন।