ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক মিথ্যা অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদকে সাময়িক বরখাস্ত কবর থেকে তোলা হবে গণপিটুনিতে নিহত চাঁদপুরের সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ এলিফ্যান্ট রোডে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান হাইকোর্টে সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন ছুটি শেষে কর্মস্থলে না ফেরায় ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বরখাস্ত সহজে মিলবে বৈদেশিক মুদ্রা, বাড়বে বাণিজ্যে অর্থায়নের সুযোগ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ৬ মামলা বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কবর থেকে তোলা হবে গণপিটুনিতে নিহত চাঁদপুরের সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ

চাঁদপুরের আলোচিত সেলিম খান ও তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত করার লক্ষ্যে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে আবেদন করা হয়েছ। জেলা প্রশাসক আবেদন মন্ঞ্জুর করেছেন। কবে মরদেহ উত্তোলন করা হবে তা পরে জানানো হবে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত আলোচিত সেলিম খান ও তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ দাফন করা হয়েছিল তাদের নিজ বাড়ি সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় সেলিম খান ও শান্ত খান বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পারলেও পরে বাগড়া বাজার এলাকায় তারা জনতার মুখোমুখি হন। সেখানে গণপিটুনিতে সেলিম খান ও শান্ত খান নিহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই সময় পরিস্থিতির কারণে তাদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল।

সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘শাপলা মিডিয়া’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার ছেলে শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা গেছে।

আদালতের নির্দেশের পর এখন সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই ময়নাতদন্ত করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির

কবর থেকে তোলা হবে গণপিটুনিতে নিহত চাঁদপুরের সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ

আপডেট সময় ০৬:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুরের আলোচিত সেলিম খান ও তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত করার লক্ষ্যে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে আবেদন করা হয়েছ। জেলা প্রশাসক আবেদন মন্ঞ্জুর করেছেন। কবে মরদেহ উত্তোলন করা হবে তা পরে জানানো হবে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত আলোচিত সেলিম খান ও তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ দাফন করা হয়েছিল তাদের নিজ বাড়ি সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় সেলিম খান ও শান্ত খান বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পারলেও পরে বাগড়া বাজার এলাকায় তারা জনতার মুখোমুখি হন। সেখানে গণপিটুনিতে সেলিম খান ও শান্ত খান নিহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই সময় পরিস্থিতির কারণে তাদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল।

সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘শাপলা মিডিয়া’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার ছেলে শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা গেছে।

আদালতের নির্দেশের পর এখন সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই ময়নাতদন্ত করা হবে।