ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাউদকে ব্যবসায় সহায়তাকারী ৩ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রায় ২০ বছর আগে পাকিস্তানে গুটখার ব্যবসা করতে কুখ্যাত মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিমকে সাহায্য করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল শিল্পপতি জেএম জোশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত ওই ৩ জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালত। 

সোমবার (৯ জানুয়ারি) বিশেষ আদালতের বিচারক বিডি শেলকে এই সাজা ঘোষণা করেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জেএমজে গোষ্ঠীর কর্ণধার তথা শিল্পপতি জোশী ভারতে ‘গুটখা-ব্যারন’ হিসেবে পরিচিত। গুটখা ছাড়াও পানমশলা ও তামাকজাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করে তার প্রতিষ্ঠান। জোশী ছাড়া এই মামলায় নাম জড়িয়েছিল শিল্পপতি রসিকলাল ধারিওয়াল, জমিরুদ্দিন আনসারি ও ফারুক মনসুরির। এই মামলার তদন্তের পর ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দেয় সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটির অভিযোগ, জোশী ও রসিকলালের মধ্যে আর্থিক বিষয়ে মতানৈক্য হলে তা মেটাতে দাউদের শরণাপন্ন হন তারা। এর বদলে সঙ্গীদের নিয়ে করাচিতে গুটখার ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য চেয়েছিলেন দাউদ। ২০০২ সালে করাচিতে গুটখার কারখানা গড়ে তুলতে দাউদকে যাবতীয় সাহায্য করেছিলেন জোশীরা।

সিবিআইয়ের দাবি, দাউদ ও জোশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক ছিল। দু’পক্ষই তাতে লাভবান হয়েছিল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দাউদকে ব্যবসায় সহায়তাকারী ৩ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০২:২৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩

প্রায় ২০ বছর আগে পাকিস্তানে গুটখার ব্যবসা করতে কুখ্যাত মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিমকে সাহায্য করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল শিল্পপতি জেএম জোশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত ওই ৩ জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালত। 

সোমবার (৯ জানুয়ারি) বিশেষ আদালতের বিচারক বিডি শেলকে এই সাজা ঘোষণা করেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জেএমজে গোষ্ঠীর কর্ণধার তথা শিল্পপতি জোশী ভারতে ‘গুটখা-ব্যারন’ হিসেবে পরিচিত। গুটখা ছাড়াও পানমশলা ও তামাকজাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করে তার প্রতিষ্ঠান। জোশী ছাড়া এই মামলায় নাম জড়িয়েছিল শিল্পপতি রসিকলাল ধারিওয়াল, জমিরুদ্দিন আনসারি ও ফারুক মনসুরির। এই মামলার তদন্তের পর ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দেয় সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটির অভিযোগ, জোশী ও রসিকলালের মধ্যে আর্থিক বিষয়ে মতানৈক্য হলে তা মেটাতে দাউদের শরণাপন্ন হন তারা। এর বদলে সঙ্গীদের নিয়ে করাচিতে গুটখার ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য চেয়েছিলেন দাউদ। ২০০২ সালে করাচিতে গুটখার কারখানা গড়ে তুলতে দাউদকে যাবতীয় সাহায্য করেছিলেন জোশীরা।

সিবিআইয়ের দাবি, দাউদ ও জোশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক ছিল। দু’পক্ষই তাতে লাভবান হয়েছিল।