ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

বাসযোগ্য ঢাকার জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

০৯ মার্চ বৃহস্পতিবার ২০২৩, রাজধানীর গুলশানে উত্তর সিটি স্যানিটেশন ট্রেড ফেয়ার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ সালের উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নগরায়ণ হতে হবে। বাসযোগ্য ঢাকার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন, খোলা জায়গা, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। তিনি বলেন, যত্রতত্র খেয়ালখুশিমতো স্থাপনা তৈরির সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নাগরিকদের ইতিবাচক মনোজাগতিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আইন ও নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিকরাই উন্নত ও স্মার্ট নগরের প্রধান কারিগর। মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) গুলশানে দুদিনব্যাপী ঢাকা উত্তর সিটি স্যানিটেশন ট্রেড ফেয়ার ২০২৩-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। নাগরিকদের সঠিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার বিষয়ে সচেতন করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সবার সচেতনতা এবং সহযোগিতা থাকলে বাসযোগ্য ঢাকা গড়া সম্ভব।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য ঢাকা নগরীকে পাঁচটি ক্যাচমেন্ট এলাকায় ভাগ করেন। কারণ দুর্বল পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা বাসযোগ্য ঢাকার অন্তরায়। তিনি আরো বলেন, আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোগ করার প্রবণতা বেড়েছে, যার ফলে দৈনিক প্রচুর বর্জ্য এবং আবর্জনা তৈরি হচ্ছে। ঢাকা নগরীতে প্রতিদিন ৬ হাজার টন বর্জ্য হয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনায় আনা না গেলে বাসযোগ্য ঢাকার স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে। এ সময় মন্ত্রী উন্নত বিশ্বের উদাহরণ দিয়ে বলেন, জাপান, সিঙ্গাপুরের মতো দেশও একসময় এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল এবং তারা সফলভাবে তা মোকাবিলা করে স্মার্ট নগর গড়তে পেরেছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে আমরাও বাসযোগ্য ঢাকার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। বাসযোগ্য ঢাকা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সমস্যা এবং তার সমাধান আজ চিহ্নিত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণের ফলে সমস্যা এবং সমাধানের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা গেলেই আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। এ সময় ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সমস্যার সমাধানকল্পে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় এতে ঢাকা নগরীর নাগরিক সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন সংস্থার দপ্তর প্রধান, নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

বাসযোগ্য ঢাকার জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩

০৯ মার্চ বৃহস্পতিবার ২০২৩, রাজধানীর গুলশানে উত্তর সিটি স্যানিটেশন ট্রেড ফেয়ার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ সালের উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নগরায়ণ হতে হবে। বাসযোগ্য ঢাকার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন, খোলা জায়গা, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। তিনি বলেন, যত্রতত্র খেয়ালখুশিমতো স্থাপনা তৈরির সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নাগরিকদের ইতিবাচক মনোজাগতিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আইন ও নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিকরাই উন্নত ও স্মার্ট নগরের প্রধান কারিগর। মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) গুলশানে দুদিনব্যাপী ঢাকা উত্তর সিটি স্যানিটেশন ট্রেড ফেয়ার ২০২৩-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। নাগরিকদের সঠিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার বিষয়ে সচেতন করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সবার সচেতনতা এবং সহযোগিতা থাকলে বাসযোগ্য ঢাকা গড়া সম্ভব।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য ঢাকা নগরীকে পাঁচটি ক্যাচমেন্ট এলাকায় ভাগ করেন। কারণ দুর্বল পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা বাসযোগ্য ঢাকার অন্তরায়। তিনি আরো বলেন, আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোগ করার প্রবণতা বেড়েছে, যার ফলে দৈনিক প্রচুর বর্জ্য এবং আবর্জনা তৈরি হচ্ছে। ঢাকা নগরীতে প্রতিদিন ৬ হাজার টন বর্জ্য হয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনায় আনা না গেলে বাসযোগ্য ঢাকার স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে। এ সময় মন্ত্রী উন্নত বিশ্বের উদাহরণ দিয়ে বলেন, জাপান, সিঙ্গাপুরের মতো দেশও একসময় এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল এবং তারা সফলভাবে তা মোকাবিলা করে স্মার্ট নগর গড়তে পেরেছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে আমরাও বাসযোগ্য ঢাকার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। বাসযোগ্য ঢাকা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সমস্যা এবং তার সমাধান আজ চিহ্নিত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণের ফলে সমস্যা এবং সমাধানের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা গেলেই আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। এ সময় ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সমস্যার সমাধানকল্পে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় এতে ঢাকা নগরীর নাগরিক সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন সংস্থার দপ্তর প্রধান, নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।