ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘সাত মাসেই লেজেগোবরে সরকারের অবস্থা’: গোলাম পরওয়ার তুলির ভাইসহ সাত গুমে অভিযুক্ত কিসমৎ হায়াৎ, তাঁর প্রতিষ্ঠানকে ৩ কোটি টাকার কাজ দিল ডিএনসিসি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১৫টি স্প্রে মেশিন বিতরণ এমপি বুলবুলের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে চুক্তি করল চার মুসলিমপ্রধান দেশ ইয়ামালের সঙ্গে সংঘর্ষ, উরুগুয়ের ফুটবলার নিষিদ্ধ ৪ ম্যাচ সৌদিতে নিহত ওমরাহযাত্রী নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে ধর্মমন্ত্রী শিশুর নামে এক হাজার ডলার! নতুন বিনিয়োগের সুযোগ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন পারফিউম ব্যবসায় সামান্থার সাফল্য, আয় ১২০ কোটি রুপি ছাড়াল ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সেনা কর্মকর্তার বাসা থেকে ১৮ ভরি স্বর্ণ চুরির অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে আইম্যাক্স পর্দায় ফিরছে নোলানের ‘দ্য প্রেস্টিজ’

কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

এই ৩০ কর্মী হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।

এই ৩০ বাংলাদেশি কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। তাঁদের মুক্ত করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে সেখানকার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এই বাংলাদেশিরা। পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তাঁরা দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করেন।

সে অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর তাঁরা কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সাত মাসেই লেজেগোবরে সরকারের অবস্থা’: গোলাম পরওয়ার

কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

আপডেট সময় ০৪:৩০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

এই ৩০ কর্মী হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।

এই ৩০ বাংলাদেশি কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। তাঁদের মুক্ত করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে সেখানকার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এই বাংলাদেশিরা। পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তাঁরা দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করেন।

সে অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর তাঁরা কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।