ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় জেলেনস্কির বিকল্প চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিমানবন্দরের স্টোর ভবনে অস্বাভাবিক ধোঁয়া, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস অন্যের ভিটায় জরাজীর্ণ ঘরে দিন কাটছে সাদ্দামের, চায় একটু আশ্রয় ঢাকা বন বিভাগে ডিএফও বশিরুলের দুর্নীতি ফাঁস প্রধানমন্ত্রীর চাওয়াতেই ইশরাকের পদত্যাগ, বললেন জামায়াত আমির কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন দুই সারোয়ারের কারসাজি: গণপূর্তে বদলি-বাণিজ্য ঘিরে ক্ষোভ তুঙ্গে বিভাগীয় মামলা থেকে অব্যাহতির পর মতিঝিলে পদায়ন কাস্টমসের উপকমিশনার আবু হানিফের এশিয়ান গেমসে হতাশা, তবু ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে এগোল বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশে ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা

কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

এই ৩০ কর্মী হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।

এই ৩০ বাংলাদেশি কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। তাঁদের মুক্ত করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে সেখানকার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এই বাংলাদেশিরা। পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তাঁরা দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করেন।

সে অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর তাঁরা কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় জেলেনস্কির বিকল্প চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট

কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

আপডেট সময় ০৪:৩০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

এই ৩০ কর্মী হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।

এই ৩০ বাংলাদেশি কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। তাঁদের মুক্ত করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে সেখানকার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এই বাংলাদেশিরা। পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তাঁরা দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করেন।

সে অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর তাঁরা কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।