কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের হামলায় একটি পরিবারের দুই সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপরজনকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের মোড়ারকান্দি-মেছগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন মেছগাঁও গ্রামের চাঁনফর আলীর ছেলে কামাল উদ্দিন (৫৫) এবং জামাল উদ্দিনের ছেলে জলক মিয়া (২১)।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কামাল উদ্দিনের বাম পায়ের রগ কেটে দেন। এ ছাড়া জলক মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করা হয়।
তাড়াইল থানায় দায়ের করা অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাউতি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও মেছগাঁও গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে হলুদ মিয়া (৪০), তারু মিয়ার ছেলে আশরাফুল (৪৫) ও মহন (২৬), ছামছু মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (৩৩), লিমন মিয়া (১৯) ও বাবু মিয়া, নূর ইসলামের ছেলে আনু মিয়া এবং করিম লাল মিয়ার ছেলে আমিন মিয়া (৪৫)সহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র রামদা ও কিরিচ নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় কামাল উদ্দিন ও জলক মিয়া গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়।
তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ মণ্ডল জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে হারুনা বেগম বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৫। তিনি আরও জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
রুহুল আমিন উপজেলা প্রতিনিধি তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ 






















