সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সুলাইমান হুসেন নিখোঁজের প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও আজও তাঁর সন্ধান মেলেনি। উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের হাসামপুর গ্রামের … মিয়ার ছেলে তিনি। সুলাইমান হুসেন কোথায় আছেন, তিনি জীবিত ও নিরাপদ আছেন কি না-এ নিয়ে তাঁর পরিবার গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ সুলাইমানের ভাই নোমান আহমদ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় ও বিরোধের জেরে নোমানকে কেন্দ্র করে তাঁর পরিবারের ওপর একের পর এক হামলা, মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনা ঘটে। চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল রাতে চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় নোমান আহমদের মা নেয়রুন নেছাকে মারধর করা হয়। এ সময় সুলাইমান হুসেন প্রতিবাদ করলে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।
নিখোঁজ সুলাইমানের স্বজনরা বলছেন, নোমান ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর নিরপরাধ ভাইকে নিখোঁজ করা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। স্বজনদের আকুতি, রাজনৈতিক পরিচয় বা বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে দ্রুত সুলাইমানকে খুঁজে বের করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তাঁরা।
এদিকে ভাতগাঁও ইউনিয়নের কয়েকজন মুরব্বির সঙ্গে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, নোমান আহমদ পলাতক ছাত্রলীগ নেতা এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং সুলাইমান হুসেন নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করার দাবি করেন তাঁরা।
ছাতক প্রতিনিধি 





















