ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ধসে পড়তে পারে বিশ্ব শেয়ারবাজার, এআই নিয়ে ভয়ংকর সতর্কবার্তা সংসার-সন্তান রেখে প্রেমের টানে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী বিএনপি ওয়াদা ও জনগণের কাছে অঙ্গীকার রক্ষাকারী দল : রিজভী লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে বেশ খানিকটা কমে আসবে : জাহেদ উর রহমান কুমিল্লার পদ্ম বিল, চোখ জুড়ানো প্রকৃতির এক অপরূপ ঠিকানা গণপূর্তের সাইফুর রহমান নামে-বেনামে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় খিলার চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লায় আলোচনায় রেফায়েত সেলিম মুকসুদপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, বীর মুক্তিযোদ্ধার গাছ-বেড়া কাটার অভিযোগ ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১১ বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ১,৭৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

গণপূর্তের সাইফুর রহমান নামে-বেনামে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। বর্তমানে আছেন খুলনা জোনের দায়িত্বে। স্বৈরাচার আমলে আওয়ামী সম্পৃক্ততার পাশাপাািশ জিকে শামীম ও গোল্পেন মনিরের নাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। সে সময়ে আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বগুড়া গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পোস্টিং বাগিয়ে নিয়ে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিবিধ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারি বরাদ্দের একটি বড় অংশ। এভাবে নামে-বেনামে তিনি বর্তমানে অর্ধশতাধিক কোটি টাকার মালিক। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।
তিনি সবচেয়ে বেশী অর্থ উপার্জন করেছেন আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে। ওই সময় আজিমপুরে ঠিকাদারী সিন্ডিকেট প্রথা চালু করেছেন এই সাইফুর রহমান- যা এখনো বহাল আছে। ১০% পার্সেন্ট ছাড়া তিনি কোন ফাইলে স্বাক্ষর করতেন না বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার জানিয়েছেন। ডিভিশনের একজন মহিলা হিসাব সহকারীকে নিয়েও সে সময়ে মুখরোচক আলোচনা চাউর হয়ে উঠে। তবে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী রাখে।

অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়ে সাইফুর রহমানের ঢাকার মোহাম্মদপুর ও মিরপুরে দুটি বিলাশবহুল বাড়ি, পূর্বাচলে প্লট, টাংগাইলের ঘাটাইলে ডুপ্লেক্স বাড়ি, বাজার রোডে ৩তলা মার্কেট যদিও ভাইয়ের নাম বলে তিনি দাবি করেন, সালাউদ্দিন সেনানিবাস মোড়ে আগে এলপিজি ফিলিং স্টেশন বর্তমানে সেটি ভেঙ্গে সোনারতরী পার্ক, অদুরেই ১ কোটি টাকায় কেনা জমিতে কাঠবাদাম রেস্টুরেন্ট, আমেরিকায় ফ্ল্যাট- যেখানে তার মেয়ে থাকে। সবমিলে অর্ধ শতাধিক কোটি টাকার অঢেল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে- বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান আছে- যা পরবর্তীতে দেশ ও জনস্বার্থে সুদর্শন চেহারার আড়ালে কুৎসিত কর্মকান্ডের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
শুধু তাই নয়- ২৪ এর ছাত্র আন্দোলনে আ’লীগের পক্ষে থেকে গণহত্যায় অর্থ যোগানের নেপথ্যে তার অবদানের কথাও শোনা যায়। এছাড়া গোল্ডেন মনির ও জিকে শামীমের অর্থায়নে হোটেল রেডিসান ও ওয়েস্টিনে ওই সময়ে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে।
বিষযগুলো নিয়ে কথা বলার জন্য তাকে ফোন দিলেও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে হোয়াটস্অ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালে টাঙ্গাইলের সম্পদগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এবং এজমালি সম্পদ বলে জানান। অন্যান্য বিষয়গুলো সত্য নয় বলে গতানুগতিক ভাষায় উত্তর লিখে ম্যাসেজ করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধসে পড়তে পারে বিশ্ব শেয়ারবাজার, এআই নিয়ে ভয়ংকর সতর্কবার্তা

গণপূর্তের সাইফুর রহমান নামে-বেনামে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়

আপডেট সময় ১২:১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। বর্তমানে আছেন খুলনা জোনের দায়িত্বে। স্বৈরাচার আমলে আওয়ামী সম্পৃক্ততার পাশাপাািশ জিকে শামীম ও গোল্পেন মনিরের নাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। সে সময়ে আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বগুড়া গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পোস্টিং বাগিয়ে নিয়ে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিবিধ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারি বরাদ্দের একটি বড় অংশ। এভাবে নামে-বেনামে তিনি বর্তমানে অর্ধশতাধিক কোটি টাকার মালিক। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।
তিনি সবচেয়ে বেশী অর্থ উপার্জন করেছেন আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে। ওই সময় আজিমপুরে ঠিকাদারী সিন্ডিকেট প্রথা চালু করেছেন এই সাইফুর রহমান- যা এখনো বহাল আছে। ১০% পার্সেন্ট ছাড়া তিনি কোন ফাইলে স্বাক্ষর করতেন না বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার জানিয়েছেন। ডিভিশনের একজন মহিলা হিসাব সহকারীকে নিয়েও সে সময়ে মুখরোচক আলোচনা চাউর হয়ে উঠে। তবে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী রাখে।

অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়ে সাইফুর রহমানের ঢাকার মোহাম্মদপুর ও মিরপুরে দুটি বিলাশবহুল বাড়ি, পূর্বাচলে প্লট, টাংগাইলের ঘাটাইলে ডুপ্লেক্স বাড়ি, বাজার রোডে ৩তলা মার্কেট যদিও ভাইয়ের নাম বলে তিনি দাবি করেন, সালাউদ্দিন সেনানিবাস মোড়ে আগে এলপিজি ফিলিং স্টেশন বর্তমানে সেটি ভেঙ্গে সোনারতরী পার্ক, অদুরেই ১ কোটি টাকায় কেনা জমিতে কাঠবাদাম রেস্টুরেন্ট, আমেরিকায় ফ্ল্যাট- যেখানে তার মেয়ে থাকে। সবমিলে অর্ধ শতাধিক কোটি টাকার অঢেল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে- বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান আছে- যা পরবর্তীতে দেশ ও জনস্বার্থে সুদর্শন চেহারার আড়ালে কুৎসিত কর্মকান্ডের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
শুধু তাই নয়- ২৪ এর ছাত্র আন্দোলনে আ’লীগের পক্ষে থেকে গণহত্যায় অর্থ যোগানের নেপথ্যে তার অবদানের কথাও শোনা যায়। এছাড়া গোল্ডেন মনির ও জিকে শামীমের অর্থায়নে হোটেল রেডিসান ও ওয়েস্টিনে ওই সময়ে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে।
বিষযগুলো নিয়ে কথা বলার জন্য তাকে ফোন দিলেও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে হোয়াটস্অ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালে টাঙ্গাইলের সম্পদগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এবং এজমালি সম্পদ বলে জানান। অন্যান্য বিষয়গুলো সত্য নয় বলে গতানুগতিক ভাষায় উত্তর লিখে ম্যাসেজ করেন।