ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রংপুর অভিমুখী লংমার্চে কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না: গোলাম পরওয়ার বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে বস্তাবন্দি অবস্থায় নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৩ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ আত্রাইয়ে প্রতিবন্ধী তরুণ বকুলের ১২ বছর ধরে শিকলে বাঁধা জীবন নরওয়ের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর আসিফ মাহমুদের দেশ ছাড়ার শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক টাঙ্গাইলে পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের হাতে ৩ বছরের শিশু খুন লালপুরে কয়েলের আগুনে দিনমজুরের সর্বনাশ, পুড়ে ছাই গরু-ছাগলসহ বসতঘর বড়লেখায় চিকিৎসার নামে ভুয়া চিকিৎসকের প্রতারণা, রোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে বস্তাবন্দি অবস্থায় নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর সাব্বির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির। তিনি বলেন, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় র‍্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। তারা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায় এবং তাদের নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।

একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিকে মেরে নদীতে ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন, আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে।

বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা, যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে বস্তাবন্দি অবস্থায় নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

আপডেট সময় ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর সাব্বির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির। তিনি বলেন, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় র‍্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। তারা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায় এবং তাদের নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।

একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিকে মেরে নদীতে ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন, আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে।

বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা, যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।