ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বিটিসিএল’র ডিজিএম মালেক ও ম্যানেজার রাব্বির দুর্নীতি চরমে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড-এর (বিটিসিএল) মুখ্য মহাব্যবস্থাপক, সম্পত্তি ও ইমারত অঞ্চল কার্যালয়ের ডিজিএম ও সিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে বিটিসিএল কলোনির দখলকৃত জমি, স্থাপনা ও কোয়ার্টারসমূহ দখলদারদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সংবাদ প্রকাশের পর বিটিসিএল-এর সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারী এই কর্মকর্তা সাক্ষ্য-প্রমাণ গায়েব করতে কড়াইল বিটিসিএল কোয়ার্টার এলাকার দখলকৃত কোয়ার্টার ও সম্পত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিটিসিএল-এর ট্রেনিং সেন্টারে একটি বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই ট্রেনিং সেন্টারের চারপাশে ঘর তুলে তাতে অবৈধ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ দিয়ে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। ট্রেনিং সেন্টারটি জিএম মো. মালেকের ড্রাইভার ২০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছেন। আর যিনি ভাড়া নিয়েছেন, তিনি আবার ছোট ছোট রুম বানিয়ে ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করছেন। ড্রাইভার ফারুক ও মালি তৌহিদ প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করে মো. মালেককে ভাগ পৌঁছিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আবার খালি জায়গায় রিকশার গ্যারেজ বানিয়েও ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করা হচ্ছে; যেখানে তাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে ফারুক, ইসলাম ও গিয়াস উদ্দিনের নাম উঠে এসেছে।

অপরদিকে বিটিসিএল-এর কনিষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব ম্যানেজার) আহম্মেদ ফজলে রাব্বি তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে অবৈধভাবে কোয়ার্টার দখল ছাড়াও অন্যের নামে বরাদ্দকৃত কোয়ার্টারে বসবাস করতে বাধা প্রদান এবং জালিয়াত ও সন্ত্রাসীদের সহায়তায় তা ভাড়া দিয়ে অবৈধ অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে। তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের সাঁট-লিপিকার শাহিনা আফরোজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। শুধু তিনিই নন, মো. রফিকুল ইসলাম নামের বিটিসিএল-এর অপর একজন কর্মীকে ৩০-৪০ জন লোক ও সন্ত্রাসী নিয়ে তার দপ্তরে প্রবেশ করে খুঁজতে থাকেন তারা। এরপর তাকে না পেয়ে মোবাইল ফোনে হত্যাসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেন। এ ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় রফিকুল জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছেন, যার নম্বর ১৩২৯।

সূত্র জানায়, বিটিসিএল-এর সিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবদুল মালেক এবং আরও কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় অবৈধ সম্পত্তি, ফ্ল্যাট ও জায়গা দখল করে ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছে একটি চক্র। আর এই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেই মাঝেমধ্যে বিটিসিএল কলোনির দখলকৃত জমি ও স্থাপনায় লোক দেখানো উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সরকারি গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ব্যবহার করলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এর কারণ হিসেবে দুর্নীতিবাজ চক্রের সদস্যরা বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি এবং দখলকৃত ফ্ল্যাট ভাড়ার মোটা অঙ্কের ভাগ মো. আবদুল মালেকসহ আরও কিছু কর্মকর্তাকে পৌঁছে দেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে। তার প্রমাণ হিসেবে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সিজিএম মো. আবদুল মালেক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে বিটিসিএল কলোনির অবৈধভাবে দখলকৃত জমি ও কোয়ার্টারসমূহ দখলমুক্তকরণের নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার আগেই তিনি আবার তা বন্ধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। ফলে বছরের পর বছর এসব দখলদার সেখানে অবস্থান নিয়ে অবৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থ ভাগ করে নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, এসব কোয়ার্টারে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কিন্তু আব্দুল মালেক সরকারের রাজস্ব আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

অপর সূত্র জানায়, বিটিসিএল-এর ওয়ার্কচার্জড কর্মচারী মো. হানিফ মগবাজার বিটিসিএল কলোনিস্থ এফ-৫ নম্বর কোয়ার্টারটি জবরদখল করে বসবাস করার সময় বকেয়া বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সেবার পাওনা আদায়ের জন্য পত্র দেওয়া হয়। সংরক্ষিত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি হতে ২০২১ সালের ১ আগস্ট পর্যন্ত তার মোট পাওনা ছিল ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ১৭৯ টাকা। এছাড়া গ্যাস বিল ৯১ হাজার ৬৫০ টাকা, ওয়াসার বিল ১৩ হাজার ৪০ টাকা, পৌরকর ৪ হাজার ৮৯০ টাকা এবং বিদ্যুৎ বিল ৬৮ হাজার ৮২০ টাকাসহ মোট ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৫৭৯ টাকা বকেয়া রয়েছে। উক্ত বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য সোনালী ব্যাংক মগবাজার শাখার চলতি হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি এবং বর্তমানেও তিনি দখলে আছেন। অথচ সরকারের ১৮ লাখ ৪১ হাজার টাকার অধিক পাওনা পরিশোধ না করার পরও তার নামে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক রাজধানীর গুলশানস্থ কড়াইলের বিটিসিএল কলোনির ডি-৩/সি নম্বর বাসাটি খালি হওয়া সাপেক্ষে বরাদ্দ প্রদান করেছেন। একদিকে ফাইলে বলা হচ্ছে তিনি দখলদার এবং বকেয়া আদায়ের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, অপরদিকে তাকেই নতুন বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আব্দুল মালেকের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার ব্যক্তিগত ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার

বিটিসিএল’র ডিজিএম মালেক ও ম্যানেজার রাব্বির দুর্নীতি চরমে

আপডেট সময় ০১:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড-এর (বিটিসিএল) মুখ্য মহাব্যবস্থাপক, সম্পত্তি ও ইমারত অঞ্চল কার্যালয়ের ডিজিএম ও সিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে বিটিসিএল কলোনির দখলকৃত জমি, স্থাপনা ও কোয়ার্টারসমূহ দখলদারদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সংবাদ প্রকাশের পর বিটিসিএল-এর সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারী এই কর্মকর্তা সাক্ষ্য-প্রমাণ গায়েব করতে কড়াইল বিটিসিএল কোয়ার্টার এলাকার দখলকৃত কোয়ার্টার ও সম্পত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিটিসিএল-এর ট্রেনিং সেন্টারে একটি বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই ট্রেনিং সেন্টারের চারপাশে ঘর তুলে তাতে অবৈধ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ দিয়ে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। ট্রেনিং সেন্টারটি জিএম মো. মালেকের ড্রাইভার ২০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছেন। আর যিনি ভাড়া নিয়েছেন, তিনি আবার ছোট ছোট রুম বানিয়ে ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করছেন। ড্রাইভার ফারুক ও মালি তৌহিদ প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করে মো. মালেককে ভাগ পৌঁছিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আবার খালি জায়গায় রিকশার গ্যারেজ বানিয়েও ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করা হচ্ছে; যেখানে তাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে ফারুক, ইসলাম ও গিয়াস উদ্দিনের নাম উঠে এসেছে।

অপরদিকে বিটিসিএল-এর কনিষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব ম্যানেজার) আহম্মেদ ফজলে রাব্বি তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে অবৈধভাবে কোয়ার্টার দখল ছাড়াও অন্যের নামে বরাদ্দকৃত কোয়ার্টারে বসবাস করতে বাধা প্রদান এবং জালিয়াত ও সন্ত্রাসীদের সহায়তায় তা ভাড়া দিয়ে অবৈধ অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে। তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের সাঁট-লিপিকার শাহিনা আফরোজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। শুধু তিনিই নন, মো. রফিকুল ইসলাম নামের বিটিসিএল-এর অপর একজন কর্মীকে ৩০-৪০ জন লোক ও সন্ত্রাসী নিয়ে তার দপ্তরে প্রবেশ করে খুঁজতে থাকেন তারা। এরপর তাকে না পেয়ে মোবাইল ফোনে হত্যাসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেন। এ ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় রফিকুল জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছেন, যার নম্বর ১৩২৯।

সূত্র জানায়, বিটিসিএল-এর সিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবদুল মালেক এবং আরও কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় অবৈধ সম্পত্তি, ফ্ল্যাট ও জায়গা দখল করে ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছে একটি চক্র। আর এই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেই মাঝেমধ্যে বিটিসিএল কলোনির দখলকৃত জমি ও স্থাপনায় লোক দেখানো উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সরকারি গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ব্যবহার করলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এর কারণ হিসেবে দুর্নীতিবাজ চক্রের সদস্যরা বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি এবং দখলকৃত ফ্ল্যাট ভাড়ার মোটা অঙ্কের ভাগ মো. আবদুল মালেকসহ আরও কিছু কর্মকর্তাকে পৌঁছে দেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে। তার প্রমাণ হিসেবে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সিজিএম মো. আবদুল মালেক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে বিটিসিএল কলোনির অবৈধভাবে দখলকৃত জমি ও কোয়ার্টারসমূহ দখলমুক্তকরণের নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার আগেই তিনি আবার তা বন্ধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। ফলে বছরের পর বছর এসব দখলদার সেখানে অবস্থান নিয়ে অবৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থ ভাগ করে নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, এসব কোয়ার্টারে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কিন্তু আব্দুল মালেক সরকারের রাজস্ব আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

অপর সূত্র জানায়, বিটিসিএল-এর ওয়ার্কচার্জড কর্মচারী মো. হানিফ মগবাজার বিটিসিএল কলোনিস্থ এফ-৫ নম্বর কোয়ার্টারটি জবরদখল করে বসবাস করার সময় বকেয়া বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সেবার পাওনা আদায়ের জন্য পত্র দেওয়া হয়। সংরক্ষিত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি হতে ২০২১ সালের ১ আগস্ট পর্যন্ত তার মোট পাওনা ছিল ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ১৭৯ টাকা। এছাড়া গ্যাস বিল ৯১ হাজার ৬৫০ টাকা, ওয়াসার বিল ১৩ হাজার ৪০ টাকা, পৌরকর ৪ হাজার ৮৯০ টাকা এবং বিদ্যুৎ বিল ৬৮ হাজার ৮২০ টাকাসহ মোট ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৫৭৯ টাকা বকেয়া রয়েছে। উক্ত বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য সোনালী ব্যাংক মগবাজার শাখার চলতি হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি এবং বর্তমানেও তিনি দখলে আছেন। অথচ সরকারের ১৮ লাখ ৪১ হাজার টাকার অধিক পাওনা পরিশোধ না করার পরও তার নামে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক রাজধানীর গুলশানস্থ কড়াইলের বিটিসিএল কলোনির ডি-৩/সি নম্বর বাসাটি খালি হওয়া সাপেক্ষে বরাদ্দ প্রদান করেছেন। একদিকে ফাইলে বলা হচ্ছে তিনি দখলদার এবং বকেয়া আদায়ের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, অপরদিকে তাকেই নতুন বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আব্দুল মালেকের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার ব্যক্তিগত ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।