জামায়াত ইসলামের কর্মীকে নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মী দেখিয়ে মামলা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বিমান দুর্ঘটনা পরবর্তী এক ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জহিরুল ইসলাম (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। পরদিন ২২ জুলাই সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টায় শিক্ষা উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব মাইলস্টোন কলেজের দুর্ঘটনাকবলিত হায়দার আলী ভবন পরিদর্শনে যান। পরিদর্শন শেষে দুপুর ১১টার দিকে তারা কলেজ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার সময় অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তুরাগ থানায় অজ্ঞাতনামা ২০০–২৫০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মিরপুর এলাকা থেকে জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জহিরুল ইসলামের পরিবার জানায়, তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী এবং জুলাই আন্দোলনে মাঠে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্বরযন্ত্রমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
জহিরুল ইসলামের গ্রামের বাড়িতে তার নিজ ইউনিয়ন,তেলীখালী ইউনিয়ন এর জামায়াতে ইসলামীর আমীর প্রভাষক,সাদেকুর রহমান সাদেক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,জহিরুল ইসলাম ইসলামী ছাত্র শিবিরে’র সাবেক ইউনিয়ন নেতা ও বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর সক্রীয় কর্মী। আমি এই মামালা ও গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানাই। এবং এই মামলা থেকে দ্রুত মুক্তি ও অব্যহতি দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে মতিঝিল থানা দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. মু’অছিম বিল্লাহ বলেন, “জহিরুল ইসলামকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতে ইসলামীর একজন নিষ্ঠাবান কর্মী। সমাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য আমাদের জানা নেই।”
পরিবার ও দলীয় নেতারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জহিরুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদন 






















