চট্টগ্রাম সার্কেলের বন কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল হকের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগের স্রোত বইছে। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে একই সার্কেলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অবস্থান, গাছ কর্তন, সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম, জব্দকৃত সম্পদ বিক্রি এবং অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের মতো অভিযোগ তাকে বন বিভাগের ভেতরে–বাইরে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, এই দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান সম্ভব হয়েছে চট্টগ্রাম সার্কেল কনজারভেটর বিপুল কৃষ্ণ দাশের প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতার কারণে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি প্রকাশিত হয়নি, তথাপি স্থানীয় বনকর্মী ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে নজরকাড়া ছিল।
২০০৪ সালের সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারী বদলি নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও হাবিবুল হক চট্টগ্রাম সার্কেলের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে—কক্সবাজার উত্তর, বান্দরবান, উপকূলীয়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ এবং কক্সবাজার দক্ষিণ—দীর্ঘ ২১ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। বন বিভাগের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে কর্মকর্তা বদলি হয়, কিন্তু হাবিবুল হক এর নিয়মকে পাশ কাটিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে একই সার্কেলে অবস্থান করছেন। এই বিষয়টি অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরূপ মনোভাব তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করেন, হাবিবুল হকের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান বন বিভাগে নিয়ম ও শৃঙ্খলা বিসংগঠনের একটি উদাহরণ।
হাবিবুল হকের বিরুদ্ধে প্রথম বড় অভিযোগ আসে বারোবাকিয়া রেঞ্জের টইটং বিটে ৩০ হাজার আকাশমনি গাছ কর্তনের ঘটনায়। স্থানীয়রা জানান, ওই সময়ে তিনি বন বিভাগীয় দায়িত্বে ছিলেন এবং ঘটনার ব্যাপক প্রভাব ফেলা হয়েছে। তৎকালীন ডিভিশনাল অফিসার এম. এ. হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, তিনি সত্যতা পেয়েছেন। তবে সেই সময়ে তদন্তের ফলাফল বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কোনো নথি সর্বজনীনভাবে প্রকাশ করা হয়নি। বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এই ধরনের বড় ধরনের গাছ কর্তন হয়তো সরকারের জন্য ক্ষতিকর, কারণ এতে বনের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং সরকারি সম্পদ অপচয় হয়।
হাবিবুল হকের বিরুদ্ধে থাকা আরেকটি অভিযোগ হলো সুফল প্রকল্পের আওতায় সরকারি অর্থের অনিয়ম ও বাগানগুলোর উৎপাদনশীলতার হ্রাস। বিভিন্ন সরকারি বাগানে তিনি গাছ উজাড়ের মাধ্যমে নিজের স্বার্থে প্রকল্পের তদারকি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকির অভাব এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার বহুবার উঠে এসেছে স্থানীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে। এর ফলে সরকারি বাগানগুলোতে উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের কাজ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তা সরকারের নীতি ও সাধারণ মানুষের উপকারের বিপরীত যায়।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে হাবিবুল হকের বিরুদ্ধে আরও একটি বড় অভিযোগ আসে জব্দকৃত পাহাড়ের বালু বিক্রির ঘটনায়। ২০২০ সালে পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের সংগ্রামের জুম এলাকায় শাকের উল্লাহ ও আবদুল জলিলের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট পাহাড় কেটে প্রায় ১০ লাখ ঘনফুট বালু দুটি বিশাল স্তূপে জমা করে। উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বালুগুলো জব্দ করে এবং বন বিভাগের দায়িত্বে হস্তান্তর করে। অভিযোগ অনুযায়ী, হাবিবুল হক ওই জব্দকৃত বালু গোপনে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। স্থানীয়রা জানান, গত বছরও তিনি বালু বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সাংবাদিকরা জানতে পারায় তা আর বিক্রি করা হয়নি। এবার তিনি গোপনে সিন্ডিকেটকে বিক্রি করেছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
হাবিবুল হকের এই কর্মকাণ্ডের প্রভাব শুধু বন বিভাগের সীমাবদ্ধতাতেই সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয়দের মতে, সরকারি প্রকল্পের উপর তার ব্যক্তিগত স্বার্থের প্রভাব পড়ে, যা সরকারের অর্থ ও সম্পদের অপচয় ঘটায়। বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানায়, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ডের কারণে বন সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা বিপর্যস্ত হয়েছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, হাবিবুল হকের সম্পদের মধ্যে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখা গেছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, তিনি সরকারি প্রকল্প এবং বন সম্পদ ব্যবস্থাপনা থেকে অসাধারণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তবে এই সম্পদের উৎস ও বৈধতার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। বন বিভাগের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “এ ধরনের সম্পদ অর্জন হলে অবশ্যই তদারকি প্রয়োজন, কিন্তু হাবিবুল হকের ক্ষেত্রে তা হয়নি।”
চট্টগ্রাম সার্কেলের বন বিভাগের বর্তমান কর্মকর্তা ও কিছু পেনশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়, হাবিবুল হকের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। বন বিভাগের ভেতরে–বাইরে বিষয়টি অনেকেরই জানা, তবে সরকারি নথি প্রকাশ না হওয়ায় প্রকৃত তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি। বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, “অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাব এবং পৃষ্ঠপোষকতার কারণে প্রকৃত তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হয় না। হাবিবুল হক এর ক্ষেত্রে তা সম্ভবত প্রযোজ্য হয়েছে।”
স্থানীয়রা আরও জানান, হাবিবুল হকের পদায়ন ও কর্মকাণ্ড বন বিভাগের নিয়মিত কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বন বিভাগে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়মিত পদায়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া প্রভাবিত হয়েছে। অনেক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, হাবিবুল হকের অবস্থান অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিযোগিতা, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং মনোবল হ্রাসের কারণ হয়েছে। বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, “যে ব্যক্তি ২১ বছর ধরে একই সার্কেলে দায়িত্বে থাকে, তিনি নতুন কর্মকর্তাদের উন্নয়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করেন। এটি পুরো বিভাগের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।”
এছাড়া, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ড স্থানীয় পরিবেশ ও অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। টইটং বিটে গাছ কর্তন, সুফল প্রকল্পে অনিয়ম এবং জব্দকৃত বালু বিক্রির ঘটনা স্থানীয় পরিবেশগত ভারসাম্য, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বন বিভাগের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “এই ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারি সম্পদের ক্ষতি এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষতির দিকে পরিচালিত করে।”
হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ডের কারণে বন বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে। বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, “যে কর্মকর্তার ওপর ভরসা রাখা হয়, যদি তিনি সরকারি সম্পদ ও প্রকল্পকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেন, তা সাধারণ জনগণের আস্থা হ্রাস করে। এটি বন সংরক্ষণ কার্যক্রমের জন্য একটি বড় সমস্যা।”
তবে, হাবিবুল হক নিজে এই অভিযোগগুলোতে কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেননি। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, তিনি অনেক সময় আলোচনার বাইরে থাকেন এবং অভিযোগগুলো নিয়ে সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেন না। স্থানীয়রা মনে করেন, অভিযোগগুলো গোপনভাবে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব ব্যবহার করে সামলানো হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সার্কেলের বন বিভাগের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে হাবিবুল হকের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান এবং অভিযোগের প্যাটার্ন বন বিভাগের নীতিমালা, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বন বিভাগের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “এটি শুধু এক ব্যক্তির অবৈধ কর্মকাণ্ড নয়; এটি একটি বৃহত্তর ব্যবস্থাপনার ত্রুটি এবং পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের উদাহরণ।”
স্থানীয় বনকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা মনে করেন, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ডের ফলে বন বিভাগের প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং পরিবেশ সংরক্ষণ লক্ষ্য ব্যাহত হয়েছে। টইটং বিটের গাছ কর্তন, সুফল প্রকল্পে অনিয়ম এবং জব্দকৃত বালু বিক্রি এই বিষয়গুলো প্রমাণ করে যে বন সংরক্ষণ এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজনৈতিক প্রভাব, ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং দার্শনিক দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য হারানো গেছে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছিল, কিন্তু সেই তদন্তের ফলাফল এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কখনো প্রকাশ হয়নি। এটি বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার প্রতি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। বন বিভাগের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “যদি তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করা হতো, তা অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য উদাহরণ হিসেবে কাজ করতে পারত।”
স্থানীয় জনগণও হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জাকের হোসেন, স্থানীয় একজন অধিবাসী, জানান, “জব্দকৃত বালু বিক্রি করার ঘটনা আমাদের এলাকায় চরম ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এটি শুধু সরকারি সম্পদের ক্ষতি নয়, আমাদের আস্থাকেও হ্রাস করেছে।” স্থানীয়রা মনে করেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
হাবিবুল হকের ২১ বছরের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান এবং অভিযোগগুলো বন বিভাগের নীতিমালা ও সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক তৈরি করেছে। বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তারা মনে করেন, এই ধরনের অবস্থান এবং কর্মকাণ্ড প্রশাসনিক দায়িত্ব, নৈতিকতা এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নেতিবাচক precedent সৃষ্টি করেছে।
চট্টগ্রাম সার্কেলের বন কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, হাবিবুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো শুধু বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে নয়, স্থানীয় জনগণ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান, রাজনৈতিক প্রভাব এবং জ্ঞানী কর্মকর্তাদের সমর্থন তার ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
স্থানীয় বনকর্মী এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মতে, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ড বন বিভাগের স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ প্রচেষ্টার জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পদায়ন, গাছ কর্তন, সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম, জব্দকৃত সম্পদ বিক্রি এবং অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ একত্রিত হয়ে বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশ্ন উত্থাপন করছে।
চট্টগ্রাম সার্কেলের বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনো স্থায়ী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করেন, এই ঘটনা ভবিষ্যতে বন বিভাগের নীতি ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে কাজ করবে।
হাবিবুল হকের কর্মকাণ্ড এবং অভিযোগের প্রভাব চট্টগ্রাম সার্কেল, বন বিভাগের কর্মকর্তারা, স্থানীয় জনগণ এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রমে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে। বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তা এবং স্থানীয়রা একমত যে, দীর্ঘমেয়াদি পদায়ন এবং অভিযোগগুলো বন বিভাগের স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।
সার্বিকভাবে বলা যায়, হাবিবুল হকের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান, অভিযোগ ও কর্মকাণ্ড বন বিভাগের নীতিমালা, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় জনগণের আস্থার জন্য গভীর প্রভাব ফেলেছে। বন বিভাগের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক সূত্রগুলো一致ভাবে দেখাচ্ছে যে, এই ঘটনা শুধুমাত্র এক ব্যক্তির দায়িত্ব বা আচরণের বিষয় নয়, এটি একটি বৃহত্তর প্রশাসনিক, নীতিমালা ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























