গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৭নং ইদিলপুর ইউনিয়নের নতুন বাজারে সম্প্রতি সংঘটিত ডাকাতি, চুরি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী একটি পরিবারে ডাকাতি ও প্রাননাশের হুমকির ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকাল ৩টার পর ইদিলপুর গ্রামের নতুন বাজারের পাকা রাস্তায় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩০ জুলাই (বুধবার) গভীর রাতে একদল সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ডাকাত দল মাইক্রোবাসে এসে ইদিলপুর ইউনিয়নের মৃত রাখাল চন্দ্র শীলের(ডিমো) পুত্র বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মানিক চন্দ্র শীলে বাড়িতে প্রবেশ করে হাত পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতন করে মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে ২ ঘন্টা ব্যাপী তান্ডব চালিয়ে ডাকাতি করে।এ সময় তারা নগদ অর্থ, প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও মালামাল, একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীরা দাবী করেন, ডাকাতরা তাদের হত্যার হুমকিও দেয়। এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি, তবে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানায়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ইদিলপুর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সভাপতি শাহারুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, উপজেলা শিবির সভাপতি মোসফেকুর প্রামানিক, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, বাজার কমিটির সভাপতি হেলাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষক রাজ্জাক মাস্টার ও আশরাফুল মাস্টার, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রতন মাস্টার, শাহজাহান ঘটকসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা, সাধারণ জনগন,স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ গনমান্য ব্যক্তি,সুশল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, এলাকায় দিনের পর দিন চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাস বেড়েই চলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। চরি ডাকাতি ছিনতাইয়ের মত ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় রাত্রি অতিবাহিত করছে এলাকাবাসী। ডাকাতরা হুমকী দেওয়ায় মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
তারা অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং এলাকায় টহল বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ইদিলপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি একাধিক চুরি ও ছিনাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের অপরাধ রোধে প্রশাসনের কঠোর ও ত্বরিত পদক্ষেপ না নিলে জনমনে চরম উদ্বেগ বিরাজ করবে বলে মন্তব্য করেন মানববন্ধনকারীরা।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের নিকট থেকে এখনও কোন অভিযোগ পাইনি।ঘটনার পর আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছি।অভিযোগ না পেলেও আমাদের কাজ চলমান রয়েছে। আশা করি জড়িতদের অতিসত্বর গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
সাদুল্লাপুর(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি 























