ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিযোগের পরও একই বিদেশি স্টেশনে স্বামী-স্ত্রী কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকার উপদ্রব, রাত না কাটিয়েই চলে গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কুমিল্লা মেডিকেলে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন, অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধে কঠোর নির্দেশ শেরেবাংলা নগর বয়েজ হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ের ঐতিহাসিক পতিসর রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধনে তাল গাছের চারা রোপণ দাবি না মানলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ARLCB পবিপ্রবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি পাওয়ায় প্রফেসর মো. শাহাদাত হোসেনকে সংবর্ধনা

কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকার উপদ্রব, রাত না কাটিয়েই চলে গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা

কুমিল্লা সার্কিট হাউসের বরাদ্দকৃত কক্ষে প্রচুর উইপোকা দেখতে পেয়ে রাত্রিযাপন না করেই সার্কিট হাউস ছেড়ে চলে গেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এমপি। কক্ষ পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না পাওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে তিনি সার্কিট হাউস ত্যাগ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১১ দলীয় লং মার্চ উপলক্ষে শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে পৌঁছান ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তাঁর রাত্রিযাপনের জন্য সার্কিট হাউসের ‘রাধাচূড়া-২০২’ কক্ষটি বরাদ্দ করা হয়।

রাত ১০টার দিকে তিনি ওই কক্ষে বিশ্রাম নিতে গেলে কক্ষজুড়ে প্রচুর উইপোকা দেখতে পান বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এতে তিনি অসুবিধাবোধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে বলেন। একই সঙ্গে একটি কম্বলেরও অনুরোধ করেন তিনি।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিবর্তন বা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে তাঁর এপিএস আরিফুর রহমান বিষয়টি কুমিল্লার এনডিসিকে এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করেন।

এরপরও দ্রুত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না হওয়ায় একপর্যায়ে সার্কিট হাউস ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বিরোধীদলীয় উপনেতা। অপেক্ষার পরও কক্ষ পরিবর্তন কিংবা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা না হওয়ায় তিনি রাত্রিযাপন না করেই সার্কিট হাউস ছেড়ে চলে যান।

এ ঘটনায় কুমিল্লা সার্কিট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ ও অতিথি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অতিথির বরাদ্দকৃত কক্ষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কেন তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়নি—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান বলেন, “কুমিল্লা সার্কিট হাউসের মতো জায়গায় এমন অব্যবস্থাপনার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।”

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগের পরও একই বিদেশি স্টেশনে স্বামী-স্ত্রী

কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকার উপদ্রব, রাত না কাটিয়েই চলে গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা

আপডেট সময় ০৫:০৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা সার্কিট হাউসের বরাদ্দকৃত কক্ষে প্রচুর উইপোকা দেখতে পেয়ে রাত্রিযাপন না করেই সার্কিট হাউস ছেড়ে চলে গেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এমপি। কক্ষ পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না পাওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে তিনি সার্কিট হাউস ত্যাগ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১১ দলীয় লং মার্চ উপলক্ষে শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে পৌঁছান ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তাঁর রাত্রিযাপনের জন্য সার্কিট হাউসের ‘রাধাচূড়া-২০২’ কক্ষটি বরাদ্দ করা হয়।

রাত ১০টার দিকে তিনি ওই কক্ষে বিশ্রাম নিতে গেলে কক্ষজুড়ে প্রচুর উইপোকা দেখতে পান বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এতে তিনি অসুবিধাবোধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে বলেন। একই সঙ্গে একটি কম্বলেরও অনুরোধ করেন তিনি।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিবর্তন বা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে তাঁর এপিএস আরিফুর রহমান বিষয়টি কুমিল্লার এনডিসিকে এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করেন।

এরপরও দ্রুত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না হওয়ায় একপর্যায়ে সার্কিট হাউস ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বিরোধীদলীয় উপনেতা। অপেক্ষার পরও কক্ষ পরিবর্তন কিংবা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা না হওয়ায় তিনি রাত্রিযাপন না করেই সার্কিট হাউস ছেড়ে চলে যান।

এ ঘটনায় কুমিল্লা সার্কিট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ ও অতিথি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অতিথির বরাদ্দকৃত কক্ষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কেন তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়নি—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান বলেন, “কুমিল্লা সার্কিট হাউসের মতো জায়গায় এমন অব্যবস্থাপনার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।”