কুমিল্লা সার্কিট হাউসের বরাদ্দকৃত কক্ষে প্রচুর উইপোকা দেখতে পেয়ে রাত্রিযাপন না করেই সার্কিট হাউস ছেড়ে চলে গেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এমপি। কক্ষ পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না পাওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে তিনি সার্কিট হাউস ত্যাগ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১১ দলীয় লং মার্চ উপলক্ষে শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে পৌঁছান ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তাঁর রাত্রিযাপনের জন্য সার্কিট হাউসের ‘রাধাচূড়া-২০২’ কক্ষটি বরাদ্দ করা হয়।
রাত ১০টার দিকে তিনি ওই কক্ষে বিশ্রাম নিতে গেলে কক্ষজুড়ে প্রচুর উইপোকা দেখতে পান বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এতে তিনি অসুবিধাবোধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে বলেন। একই সঙ্গে একটি কম্বলেরও অনুরোধ করেন তিনি।
তবে অভিযোগ রয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিবর্তন বা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে তাঁর এপিএস আরিফুর রহমান বিষয়টি কুমিল্লার এনডিসিকে এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করেন।
এরপরও দ্রুত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না হওয়ায় একপর্যায়ে সার্কিট হাউস ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বিরোধীদলীয় উপনেতা। অপেক্ষার পরও কক্ষ পরিবর্তন কিংবা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা না হওয়ায় তিনি রাত্রিযাপন না করেই সার্কিট হাউস ছেড়ে চলে যান।
এ ঘটনায় কুমিল্লা সার্কিট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ ও অতিথি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অতিথির বরাদ্দকৃত কক্ষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কেন তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়নি—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান বলেন, “কুমিল্লা সার্কিট হাউসের মতো জায়গায় এমন অব্যবস্থাপনার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।”
আব্দুর রহমান সাঈফ, কুমিল্লা 




















