ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিলে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে অগ্রণী ব্যাংক! পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী তানজীর সাইফের বিরুদ্ধে টেন্ডারে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ অভিযোগের মুখে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স এডি ইমরানের বিরুদ্ধে বেপরোয়া হুমকির অভিযোগ

পুরুষদের বন্ধ্যত্ব : যা জানা জরুরি

একটা সময় ছিল কোনো দম্পতির ঘরে সন্তান না এলে সব দোষ স্ত্রীর ঘাড়ে চাপানো হতো। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করে দেয় যে স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কেউ হতে পারে বন্ধ্যত্বের শিকার। 

ব্রিটিশ স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান এনএইচএসের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, যে দম্পতিদের সন্তান হয় না, তাদের এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এর কারণ হচ্ছে – স্বামীর শুক্রাণুর মান নিম্ন ও সংখ্যা কম হওয়া।

সহজ কথায়, পুরুষদের বন্ধ্যত্বের মূল কারণ: বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কম হওয়া।

শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বিষয় চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। বায়ুদূষণ থেকে শুরু করে জীবনযাপন পদ্ধতি পর্যন্ত অনেক কিছুই শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

• পুরুষের দেহে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা কম হরমোন উৎপাদন।
• ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম নামে এক ধরনের জেনেটিক সমস্যা।
• কোনো কোনো শিশুর জন্মের সময় অণ্ডকোষ দেহের ভেতরেই রয়ে যায়। এটিও শুক্রাণুর সমস্যা ঘটাতে পারে।
• যৌনাঙ্গের কোনো সংক্রমণ যেমন ক্ল্যামাইডিয়া, গনোরিয়া, বা প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের প্রদাহ।
• অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, গাঁজা এবং কোকেনের মতো মাদক সেবন।
• অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া বা স্থূলতা।
• কিছু কিছু ওষুধ, যেমন টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি, দীর্ঘকাল ধরে এ্যানাবোলিক স্টেরয়েড ব্যবহার, কেমোথেরাপির মতো ক্যান্সারের ওষুধ, কিছু কিছু এ্যান্টিবায়োটিক বা বিষণ্ণতা কাটানোর ওষুধও শুক্রাণুর মান ও সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।
• ক্রোমোজোমঘটিত রোগ যেমন ক্লাইন, ফিলটার সিনড্রোম প্রভৃতির জন্য শুক্রাণু কমে যাওয়া
• ড্যারিকোসিন নামক অণ্ডকোষের রোগ, সিলিয়াক ডিজিজের কারণেও শুক্রাশয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বহু ক্ষণ ধরে সাইকেল চালানো, অতিরিক্ত তাপের সামনে বসে কাজ করা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও শুক্রাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শুক্রাণুর সংক্রমণ হলে তার নড়াচড়ার ক্ষমতা লোপ পায়। ফলে বন্ধ্যত্ব অবধারিত। ওষুধের সাহায্যে শুক্রাণুর সংক্রমণ সারানো যায়। কিছু ক্ষেত্রে শুক্রাণুর কাউন্টও বাড়ানো সম্ভব হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা 

পুরুষদের বন্ধ্যত্ব : যা জানা জরুরি

আপডেট সময় ০৯:১১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২

একটা সময় ছিল কোনো দম্পতির ঘরে সন্তান না এলে সব দোষ স্ত্রীর ঘাড়ে চাপানো হতো। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করে দেয় যে স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কেউ হতে পারে বন্ধ্যত্বের শিকার। 

ব্রিটিশ স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান এনএইচএসের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, যে দম্পতিদের সন্তান হয় না, তাদের এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এর কারণ হচ্ছে – স্বামীর শুক্রাণুর মান নিম্ন ও সংখ্যা কম হওয়া।

সহজ কথায়, পুরুষদের বন্ধ্যত্বের মূল কারণ: বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কম হওয়া।

শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বিষয় চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। বায়ুদূষণ থেকে শুরু করে জীবনযাপন পদ্ধতি পর্যন্ত অনেক কিছুই শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

• পুরুষের দেহে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা কম হরমোন উৎপাদন।
• ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম নামে এক ধরনের জেনেটিক সমস্যা।
• কোনো কোনো শিশুর জন্মের সময় অণ্ডকোষ দেহের ভেতরেই রয়ে যায়। এটিও শুক্রাণুর সমস্যা ঘটাতে পারে।
• যৌনাঙ্গের কোনো সংক্রমণ যেমন ক্ল্যামাইডিয়া, গনোরিয়া, বা প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের প্রদাহ।
• অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, গাঁজা এবং কোকেনের মতো মাদক সেবন।
• অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া বা স্থূলতা।
• কিছু কিছু ওষুধ, যেমন টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি, দীর্ঘকাল ধরে এ্যানাবোলিক স্টেরয়েড ব্যবহার, কেমোথেরাপির মতো ক্যান্সারের ওষুধ, কিছু কিছু এ্যান্টিবায়োটিক বা বিষণ্ণতা কাটানোর ওষুধও শুক্রাণুর মান ও সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।
• ক্রোমোজোমঘটিত রোগ যেমন ক্লাইন, ফিলটার সিনড্রোম প্রভৃতির জন্য শুক্রাণু কমে যাওয়া
• ড্যারিকোসিন নামক অণ্ডকোষের রোগ, সিলিয়াক ডিজিজের কারণেও শুক্রাশয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বহু ক্ষণ ধরে সাইকেল চালানো, অতিরিক্ত তাপের সামনে বসে কাজ করা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও শুক্রাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শুক্রাণুর সংক্রমণ হলে তার নড়াচড়ার ক্ষমতা লোপ পায়। ফলে বন্ধ্যত্ব অবধারিত। ওষুধের সাহায্যে শুক্রাণুর সংক্রমণ সারানো যায়। কিছু ক্ষেত্রে শুক্রাণুর কাউন্টও বাড়ানো সম্ভব হয়।