কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। উপজেলার পৃথক স্থান থেকে ২৮ কেজি গাঁজাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক বিক্রির অপরাধে দুজন, সাজা ও ওয়ারেন্টভুক্ত চারজন এবং মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত একজন রয়েছেন।
গতকাল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে এবং বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ এসব অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে ৩ নম্বর দক্ষিণ চান্দলা ইউনিয়নের চান্দলা রামচন্দ্রপুর এলাকায় মন্দবাগ থেকে টানাব্রিজগামী রাস্তায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই আল-আমিন ও এএসআই মো. কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ মো. রাকিব হোসেন (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। রাকিব বাল্লাক উত্তরপাড়ার কাউছার মিয়ার ছেলে।
একই রাতে রাত ১১টার দিকে ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের মল্লিকারদিঘী রেলগেটের পূর্ব পাশে নারায়ণপুরগামী রাস্তায় অপর এক অভিযান পরিচালনা করেন এসআই ডি.এম.এ মজিদ ও এএসআই মো. নুর-আল-আহসান। তারা ৮ কেজি গাঁজাসহ মো. হোসেন মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার পৃথক অভিযান চালিয়ে জিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোসা. শিউলী আক্তারকে গ্রেপ্তার করেন এসআই ডি.এম.এ মজিদ। এছাড়াও জিআর পরোয়ানাভুক্ত অন্য তিন আসামি—মিটন চন্দ্র দাস (২৫), মোসা. পাখি আক্তার ওরফে শিউলি আক্তার (২৭) এবং মো. শরীফ হোসেন আকাশকে (৩২) গ্রেপ্তার করে যথাক্রমে এসআই রূপম কুমার সরকার, এএসআই মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকী এবং এএসআই লিংকন কুমার নাথ।
অন্য এক অভিযানে এসআই মো. শামীম হোসেনের পরিচালনায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মাদক সেবনের অপরাধে ছাতীয়ানী গ্রামের হাবিবুর রহমানকে (৪০) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ গ্রেপ্তারকৃত সাত আসামির সবাইকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পারভেজ আলম , ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 


















