ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে ৪ জনের দেহে করোনার অতি সংক্রামক ধরন শনাক্ত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চার জনের দেহে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, যা অতি সংক্রামক। তারা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্র বলছে, ওই চার জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের রিপোর্ট পজিটিভ এলেও পশ্চিমবঙ্গে সেটি এখনও দৈনিক আক্রান্তের বড় কোনো প্রভাব ফেলেনি। যে চারজনের শরীরে বিএফ৭ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, তারা ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কলকাতায় এসেছিলেন। প্রাথমিকভাবে সবার করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছিল। তাদের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তাতেই জানা যায়, ওই চার জনে ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে তিন জন একই পরিবারের সদস্য।

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, ওই চার জন প্রথম থেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন। বেশি মানুষের সংস্পর্শে আসেননি। তাই স্বভাবতই তাদের সংস্পর্শে এসে কারও ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই। এখন তারা সেরেও উঠেছেন।

বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী জানান, ওই চার জনের দেহে ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও আতঙ্কের কিছু নেই। কারণ এখনও রাজ্যে দৈনিক করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা দুই অংকের ঘরে পৌঁছায়নি। যদি ওই চার জনের সংস্পর্শে এসে অনেকে করোনায় আক্রান্ত হতেন তাহলে সেই সংখ্যাটা বাড়ত।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে ৪ জনের দেহে করোনার অতি সংক্রামক ধরন শনাক্ত

আপডেট সময় ১২:৫২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চার জনের দেহে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, যা অতি সংক্রামক। তারা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্র বলছে, ওই চার জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের রিপোর্ট পজিটিভ এলেও পশ্চিমবঙ্গে সেটি এখনও দৈনিক আক্রান্তের বড় কোনো প্রভাব ফেলেনি। যে চারজনের শরীরে বিএফ৭ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, তারা ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কলকাতায় এসেছিলেন। প্রাথমিকভাবে সবার করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছিল। তাদের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তাতেই জানা যায়, ওই চার জনে ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে তিন জন একই পরিবারের সদস্য।

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, ওই চার জন প্রথম থেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন। বেশি মানুষের সংস্পর্শে আসেননি। তাই স্বভাবতই তাদের সংস্পর্শে এসে কারও ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই। এখন তারা সেরেও উঠেছেন।

বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী জানান, ওই চার জনের দেহে ওমিক্রন বিএফ.৭ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও আতঙ্কের কিছু নেই। কারণ এখনও রাজ্যে দৈনিক করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা দুই অংকের ঘরে পৌঁছায়নি। যদি ওই চার জনের সংস্পর্শে এসে অনেকে করোনায় আক্রান্ত হতেন তাহলে সেই সংখ্যাটা বাড়ত।