ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জ্বালানি ও খনিজ খাতে ‘ঐতিহাসিক’ অংশীদারত্বের আহ্বান মোদির সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ঢাকাসহ ২০ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি আর্জেন্টাইন রেফারিরা দায়িত্বে, অস্বস্তিতে এমবাপ্পে? অস্তিত্বহীন অফিসে গণপূর্তের ৩১১ কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ে উঠেছে অভিযোগ আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর মিসরের বিপক্ষে জয়ের পর কেন কেঁদেছিলেন মেসি? নিজ দলের কর্মীদের পেটালেন মমতা পোষা পাখি মরে যাওয়ায় কান্না, শাসন করায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত বড় ভাই

পাংশায় আখের গুড় তৈরিতে ব্যস্ত চাষিরা।

  • শরিফুল ইসলাম
  • আপডেট সময় ০১:০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৬৬৬ বার পড়া হয়েছে

ঋতু পরিবর্তনের শুরুতেই বেড়েছে শীতের আমেজ সেইসাথে শীত এলেই শুরু হয়ে যায় পিঠা-পুলির মহোৎসব পিঠা উৎসবে আখের গুড়ের যেন জুড়ি নেই, আর আখের রস থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু গুড় ইতিমধ্যেই গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার আখ চাষীরা। এ এলাকায় আখ চাষের মাটি ও আবহাওয়া বেশ উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আখ চাষ করেছেন চাষিরা। শীতের মৌসুমের শুরু থেকেই সংরক্ষিত আখ মাড়াই ও গুড় তৈরির কাজ শুরু করেন চাষীরা। আখ চাষে লোকসান নয় মুনাফার মাত্রাটাই বেশি থাকে আর তাই পাংশা উপজেলার চরাঞ্চলের চাষীরা আখ চাষ করে থাকেন। তবে এবার আর মুনাফার আশা করছেন না চাষিরা। তারা বলছেন এবছর বন্যায় অনেক ক্ষতি হয়েছে আমাদের এবং অন্য বছরের তুলনায় এবছর তেল ও চাষাবাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তেমন লাভের আশা করা যাচ্ছে না।

উপজেলায় এবছর ৫শত ৫০ হেক্টর জমিতে রঙ বিলাস, তলা বিলাস, পঞ্চান্ন, হুলিয়া যাবা সহ ৫/৭ প্রজাতির আখ চাষ হয়েছে। পৌষ-মাঘ মাসে আখ থেকে ভালো রস পাওয়া যায় এ সময় গুর উৎপাদন হয় ভালো তাই পৌষের শুরুতেই আখের গুড় তৈরির হিড়িক পড়ে যায়।

আখ চাষী মোঃ লতিফ মোল্লা বলেন প্রথমত বন্যায় জমি ভেঙ্গে নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় এবং বন্যার কারণে ফলন ভালো না হওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। তারপরে এবছর তেলের দাম বৃদ্ধি যেহেতু আমরা মেশিনে আখ মাড়াই করে থাকি এবং শ্রমের দাম বৃদ্ধি সহ চাষাবাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার আখ চাষে লোকসান হবে আমাদের।

পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অন্যান্য বছর কৃষক প্রতি শতাংশে দুই থেকে আড়াই মন গুড় ঘরে তুলতো। কিন্তু এবার বন্যার কারণে আখের ফলন ভালো হয়নি। ফলে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে কৃষকদের। তবে আমাদের কাছে কৃষকরা যখনই যেকোনো পরামর্শের জন্য এসেছে আমরা তাদেরকে সঠিক পরামর্শ দিয়েছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জ্বালানি ও খনিজ খাতে ‘ঐতিহাসিক’ অংশীদারত্বের আহ্বান মোদির

পাংশায় আখের গুড় তৈরিতে ব্যস্ত চাষিরা।

আপডেট সময় ০১:০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

ঋতু পরিবর্তনের শুরুতেই বেড়েছে শীতের আমেজ সেইসাথে শীত এলেই শুরু হয়ে যায় পিঠা-পুলির মহোৎসব পিঠা উৎসবে আখের গুড়ের যেন জুড়ি নেই, আর আখের রস থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু গুড় ইতিমধ্যেই গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার আখ চাষীরা। এ এলাকায় আখ চাষের মাটি ও আবহাওয়া বেশ উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আখ চাষ করেছেন চাষিরা। শীতের মৌসুমের শুরু থেকেই সংরক্ষিত আখ মাড়াই ও গুড় তৈরির কাজ শুরু করেন চাষীরা। আখ চাষে লোকসান নয় মুনাফার মাত্রাটাই বেশি থাকে আর তাই পাংশা উপজেলার চরাঞ্চলের চাষীরা আখ চাষ করে থাকেন। তবে এবার আর মুনাফার আশা করছেন না চাষিরা। তারা বলছেন এবছর বন্যায় অনেক ক্ষতি হয়েছে আমাদের এবং অন্য বছরের তুলনায় এবছর তেল ও চাষাবাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তেমন লাভের আশা করা যাচ্ছে না।

উপজেলায় এবছর ৫শত ৫০ হেক্টর জমিতে রঙ বিলাস, তলা বিলাস, পঞ্চান্ন, হুলিয়া যাবা সহ ৫/৭ প্রজাতির আখ চাষ হয়েছে। পৌষ-মাঘ মাসে আখ থেকে ভালো রস পাওয়া যায় এ সময় গুর উৎপাদন হয় ভালো তাই পৌষের শুরুতেই আখের গুড় তৈরির হিড়িক পড়ে যায়।

আখ চাষী মোঃ লতিফ মোল্লা বলেন প্রথমত বন্যায় জমি ভেঙ্গে নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় এবং বন্যার কারণে ফলন ভালো না হওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। তারপরে এবছর তেলের দাম বৃদ্ধি যেহেতু আমরা মেশিনে আখ মাড়াই করে থাকি এবং শ্রমের দাম বৃদ্ধি সহ চাষাবাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার আখ চাষে লোকসান হবে আমাদের।

পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অন্যান্য বছর কৃষক প্রতি শতাংশে দুই থেকে আড়াই মন গুড় ঘরে তুলতো। কিন্তু এবার বন্যার কারণে আখের ফলন ভালো হয়নি। ফলে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে কৃষকদের। তবে আমাদের কাছে কৃষকরা যখনই যেকোনো পরামর্শের জন্য এসেছে আমরা তাদেরকে সঠিক পরামর্শ দিয়েছি।