সংবাদ শিরোনাম ::
খাল দখলের থাবায় বিপন্ন ভোলা-জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা ভাওরা হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডা. মাহফুজ রায়হান আক্কেলের বদলিতে উদ্বিগ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউপির দুর্নীতি মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানের ৫ বছর, সচিবের ৩ বছর জেল জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ফরিদপুর জেলা ইউনিট অনুমোদিত  চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বাংলা‌দে‌শিদের জন্য দুই বছর পর ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ভারত নকল নামক জিনিসটি বাংলাদেশে আর নেই : শিক্ষামন্ত্রী মির্জাপুরের অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ই-য়াবাসহ তিন জন আ’টক মনোহরগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন

গোয়াইনঘাটে চোরাচালান রোধে পুলিশের বাধা সন্ত্রাসী কামরুল

সিলেট জেলার সীমান্ত এলাকার গোয়াইনঘাট উপজেলায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করতে পরছেনা স্থানীয় থানা পুলিশ। রাত হলে উপজেলার সদরের কাছে পুলিশের একটি চেকপোস্ট বসানো হয় চোরাচালান প্রতিরোধ করতে। কিন্তু সেখানে পুলিশের চোরাচালান কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এলাকায় কতিপয় কিছু যুবক। তারা নিজেদের নির্দিষ্ট একটি দলের কর্মী পরিচয় দিয়ে পুলিশ চেক পোস্টের কাছে দাঁড়িয়ে থাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে। চোকপোষ্ট এলাকায় কোন চোরাই গাড়ি আটক করলেই সে সব যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্যদের জিম্মা করে নিজেরাই চোরাচালানের গাড়িগুলো চেকপোস্ট পার করে দিচ্ছে। বিনিময়ে প্রতিটি গাড়ি থেকে তারা আদায় করছে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেই সব যুবকদের দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন লেংগুড়া এলাকার কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। রাত হলেই তিনি তার দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র হাতে গোয়াইনঘাট বাইপাস এলাকায় মহড়া দিয়ে ভারতীয় চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য পুলিশের সামন দিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে যেতে সাহায্য করেন। তার কাছে খোদ থানা পুলিশও এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। ফলে কিছুতেই সীমান্তের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না থানার পুলিশ সদস্যরা। কামরুল বাহিনী পুলিশের কাছেও এখন এক আতঙ্কের নাম। তার আতঙ্কে গোয়াইনঘাটের সাধারণসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

অভিযোগ রয়েছে, চোরাচালানের মালামাল আটক করতে পুলিশ রাস্তায় চেকপোস্ট বসালে সেখানে গিয়ে হাজির হয় কামরুলসহ তার দলবল। তারা সেখানে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্যদের জিম্মি করে চোরাই পথে আসা পণ্যবাহী গাড়িগুলো পার্কিং করে দেয় চেকপোস্ট এলাকা। এ জন্য কামরুল প্রতি গাড়ি থেকে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা। নাম প্রকাশ না করা শর্তে পুলিশের এক সদস্য বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা আতঙ্কে থাকি। রাতে আমার পুলিশ সদস্য সংখ্যায় কম থাকায়, কামরুলসহ তার দলবলের লোকজন এসে আমাদেরকে একরকম জিম্মি করে ফেলে, যার ফলে আমরা চোরাচালানের গাড়িগুলো আটক করতে পারি না। বিষয়টি থানার ওসির নজরে নিয়ে আসা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল দখলের থাবায় বিপন্ন ভোলা-জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা

গোয়াইনঘাটে চোরাচালান রোধে পুলিশের বাধা সন্ত্রাসী কামরুল

আপডেট সময় ০৪:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

সিলেট জেলার সীমান্ত এলাকার গোয়াইনঘাট উপজেলায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করতে পরছেনা স্থানীয় থানা পুলিশ। রাত হলে উপজেলার সদরের কাছে পুলিশের একটি চেকপোস্ট বসানো হয় চোরাচালান প্রতিরোধ করতে। কিন্তু সেখানে পুলিশের চোরাচালান কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এলাকায় কতিপয় কিছু যুবক। তারা নিজেদের নির্দিষ্ট একটি দলের কর্মী পরিচয় দিয়ে পুলিশ চেক পোস্টের কাছে দাঁড়িয়ে থাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে। চোকপোষ্ট এলাকায় কোন চোরাই গাড়ি আটক করলেই সে সব যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্যদের জিম্মা করে নিজেরাই চোরাচালানের গাড়িগুলো চেকপোস্ট পার করে দিচ্ছে। বিনিময়ে প্রতিটি গাড়ি থেকে তারা আদায় করছে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেই সব যুবকদের দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন লেংগুড়া এলাকার কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। রাত হলেই তিনি তার দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র হাতে গোয়াইনঘাট বাইপাস এলাকায় মহড়া দিয়ে ভারতীয় চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য পুলিশের সামন দিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে যেতে সাহায্য করেন। তার কাছে খোদ থানা পুলিশও এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। ফলে কিছুতেই সীমান্তের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না থানার পুলিশ সদস্যরা। কামরুল বাহিনী পুলিশের কাছেও এখন এক আতঙ্কের নাম। তার আতঙ্কে গোয়াইনঘাটের সাধারণসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

অভিযোগ রয়েছে, চোরাচালানের মালামাল আটক করতে পুলিশ রাস্তায় চেকপোস্ট বসালে সেখানে গিয়ে হাজির হয় কামরুলসহ তার দলবল। তারা সেখানে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্যদের জিম্মি করে চোরাই পথে আসা পণ্যবাহী গাড়িগুলো পার্কিং করে দেয় চেকপোস্ট এলাকা। এ জন্য কামরুল প্রতি গাড়ি থেকে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা। নাম প্রকাশ না করা শর্তে পুলিশের এক সদস্য বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা আতঙ্কে থাকি। রাতে আমার পুলিশ সদস্য সংখ্যায় কম থাকায়, কামরুলসহ তার দলবলের লোকজন এসে আমাদেরকে একরকম জিম্মি করে ফেলে, যার ফলে আমরা চোরাচালানের গাড়িগুলো আটক করতে পারি না। বিষয়টি থানার ওসির নজরে নিয়ে আসা হয়েছে।