ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

মঠবাড়িয়ায় চলাচলের পথ আটকিয়ে জমি দখল ও পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ আটকিয়ে জমি দখল, গাছপালা কর্তন ও পুকুরের মাছ ধরা সহ একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষ মুনসুর হাওলাদার সহ তাদের দলবলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম ধানীসাফা গ্রামে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী মৃত সিদ্দিকুর রহমান ফরাজির ছেলে দুলাল ফরাজি শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মঠবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম ধানীসাফা গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমান ফরাজির ছেলে দুলাল ফরাজি ও কাদের ফরাজি একই বাড়িতে বসবাস করেন। দুলাল ফরাজি তুষখালী বাজারে দীর্ঘদিন যাবত মুরগীর ব্যাবসা করে আসছেন।

এদিকে মৃত্যু সিদ্দিকুর রহমান ফরাজির ওয়ারিশদের কাছ থেকে কিছু জমি ক্রয় সুত্রে ও ভুলবসত প্রতিপক্ষ মুনসুর হাওলাদার গংদের নামে কিছু জমি রেকর্ড হয়ে যায়। সেই রেকর্ডীয় জমির বিরোধ নিয়ে পিরোজপুর আদালতে উভয় পক্ষের মামলা চলমান রয়েছে। উক্ত রেকর্ডের সূত্র ধরে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ আটকিয়ে দেয়া, গাছপালা কর্তন, পুকুরের পাশে থাকা বেরা কেটে মাছ ধরে নেয়া, এমনকি একই বাড়িতে থাকা দুলাল ফরাজি ও কাদের ফরাজির বসতঘর পেছনে ফেলে বিবাধীরা বসতঘর তোলার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীরা বাঁধা প্রদান করলে প্রতিপক্ষরা তাদের উপরে হামলা চালায়। বিবাধীদের এমন কর্মকাণ্ডের জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অসহায় জীবন যাপন করছেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিপক্ষ মুনসুর হাওলাদার জানান, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে সেটা মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমরা জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে আছি এবং তাদের দখলীয় জমির মধ্যে আমরা আরো জমি পাবো। বিষয়টি নিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। যদি আইনতভাবে তারা জমি পায় তাহলে আমরা জমি ছেড়ে দিবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

মঠবাড়িয়ায় চলাচলের পথ আটকিয়ে জমি দখল ও পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ আটকিয়ে জমি দখল, গাছপালা কর্তন ও পুকুরের মাছ ধরা সহ একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষ মুনসুর হাওলাদার সহ তাদের দলবলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম ধানীসাফা গ্রামে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী মৃত সিদ্দিকুর রহমান ফরাজির ছেলে দুলাল ফরাজি শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মঠবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম ধানীসাফা গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমান ফরাজির ছেলে দুলাল ফরাজি ও কাদের ফরাজি একই বাড়িতে বসবাস করেন। দুলাল ফরাজি তুষখালী বাজারে দীর্ঘদিন যাবত মুরগীর ব্যাবসা করে আসছেন।

এদিকে মৃত্যু সিদ্দিকুর রহমান ফরাজির ওয়ারিশদের কাছ থেকে কিছু জমি ক্রয় সুত্রে ও ভুলবসত প্রতিপক্ষ মুনসুর হাওলাদার গংদের নামে কিছু জমি রেকর্ড হয়ে যায়। সেই রেকর্ডীয় জমির বিরোধ নিয়ে পিরোজপুর আদালতে উভয় পক্ষের মামলা চলমান রয়েছে। উক্ত রেকর্ডের সূত্র ধরে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ আটকিয়ে দেয়া, গাছপালা কর্তন, পুকুরের পাশে থাকা বেরা কেটে মাছ ধরে নেয়া, এমনকি একই বাড়িতে থাকা দুলাল ফরাজি ও কাদের ফরাজির বসতঘর পেছনে ফেলে বিবাধীরা বসতঘর তোলার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীরা বাঁধা প্রদান করলে প্রতিপক্ষরা তাদের উপরে হামলা চালায়। বিবাধীদের এমন কর্মকাণ্ডের জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অসহায় জীবন যাপন করছেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিপক্ষ মুনসুর হাওলাদার জানান, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে সেটা মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমরা জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে আছি এবং তাদের দখলীয় জমির মধ্যে আমরা আরো জমি পাবো। বিষয়টি নিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। যদি আইনতভাবে তারা জমি পায় তাহলে আমরা জমি ছেড়ে দিবো।