সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

আনিসুল-সালমানের পক্ষে ছিল না কোনো আইনজীবী

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের ঢাকার সিএমএম আদালত চত্বরে আনা হয়। পরে দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সন্ধ্যা ৭টার কিছু সময় আগে আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদন শুনানি হয়। পরে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তবে রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় কোনো আইনজীবী পাননি আসামিপক্ষ (সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক)।

আদালসূত্রে জানা যায়, তাদের পক্ষে শুনানি করতে কোনো আইনজীবী রাজি হননি।

আসামিদের বিচার চেয়ে ঢাকা বারের সভাপতি খুরশীদ আলম মিয়া বলেন, এরা (সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক) ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। এরা শিশু-কিশোরের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ শাসন করতে চেয়েছিল।

আসামিদের সন্ধ্যায় আদালত এলাকায় আনা হলে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা নানা স্লোগান দিতে থাকেন। তারা সরকারের উঁচু পদের এই দুই ব্যক্তির বিচার দাবি করেন।
হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউমার্কেট থানার পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর আগে বিকালে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. মাইনুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পালানোর সময় সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেফতার করে কোস্টগার্ড। এরপর তারা এ দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের ডিবির হাতে সোপর্দ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে ১৬ জুলাই ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে দুজন নিহত হন। এদের মধ্যে একজন ছাত্র এবং একজন হকার। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা হয়। এসব হত্যায় ইন্ধনদাতা হিসেবে এ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

আনিসুল-সালমানের পক্ষে ছিল না কোনো আইনজীবী

আপডেট সময় ১২:০২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের ঢাকার সিএমএম আদালত চত্বরে আনা হয়। পরে দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সন্ধ্যা ৭টার কিছু সময় আগে আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদন শুনানি হয়। পরে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তবে রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় কোনো আইনজীবী পাননি আসামিপক্ষ (সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক)।

আদালসূত্রে জানা যায়, তাদের পক্ষে শুনানি করতে কোনো আইনজীবী রাজি হননি।

আসামিদের বিচার চেয়ে ঢাকা বারের সভাপতি খুরশীদ আলম মিয়া বলেন, এরা (সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক) ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। এরা শিশু-কিশোরের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ শাসন করতে চেয়েছিল।

আসামিদের সন্ধ্যায় আদালত এলাকায় আনা হলে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা নানা স্লোগান দিতে থাকেন। তারা সরকারের উঁচু পদের এই দুই ব্যক্তির বিচার দাবি করেন।
হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউমার্কেট থানার পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর আগে বিকালে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. মাইনুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পালানোর সময় সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেফতার করে কোস্টগার্ড। এরপর তারা এ দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের ডিবির হাতে সোপর্দ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে ১৬ জুলাই ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে দুজন নিহত হন। এদের মধ্যে একজন ছাত্র এবং একজন হকার। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা হয়। এসব হত্যায় ইন্ধনদাতা হিসেবে এ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।