ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তেজগাঁও রেলস্টেশন ও কারওয়ান বাজারে ৩০০ অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ ফুয়াদ হাসান আকন্দের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রকৃত সত্য প্রকাশ হোলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নির্বাচন সামনে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন স্থগিত রাজউকের ১,৪১৩ প্লট নিয়ে তদন্ত, স্থগিত ১,০৭৪টির কার্যক্রম ‘বিরিয়ানির ভাগ’ দিতে নারাজ বিএনপি: রাশেদ খাঁন দুই বছর লভ্যাংশ নেই মার্কেন্টাইল ব্যাংকে, ব্যাংকের টাকায় বিদেশ ঘুরছেন এমডি মতিউল হাসান চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাব ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতি সভাপতি রানা, সম্পাদক বারী, যুগ্ম সম্পাদক কামাল নারায়ণগঞ্জে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, আটক স্বামী

নীলফামারীতে হাত-পা ও মাথা বিহীন শিশুর জন্ম

নীলফামারীতে একটি মায়ের কোল জুড়ে জন্ম নিয়েছেন দু’টি শিশু। একটি পুত্র সন্তান হলেও আর একটি হয়েছেন বিরল আকৃতির। শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছেন হাত-পা,মাথা ছাড়াই। এখন শিশুটিকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম নিলেও চিকিৎসকরা বলছেন, শিশু দু’টি একসাথে গর্ভে আসায় গর্ভের একটি অংশ চাপা পড়লে শিশুটির আকৃতি অস্বাভিক হয়ে যায়।

আবার এটি জেনিটিক কারণও হতে পারে।জানা যায়, নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের লোকমানপাড়ার তারিন ও মোমিনুর দম্পত্তির কোল আলোকিত করে একে একে জন্ম নেয় দু’টি শিশু। সোমবার বেলা ১২.৩০মিনিটে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে সিজার ছাড়াই সাধারণভাবে এই নবজাতক শিশু দু’টির মধ্যে সর্বপ্রথম ভূমিষ্ঠ হয় বিরল আকৃতির শিশুটি। ১কেজি ৮গ্রাম ওজনের শিশুটির দু’টি আঙ্গুল দেখা গেলেও নেই দেহের গঠন। দেখতে ডিম্বাকৃতির হলেও নেই হাত-পা ও মাথা। আর পরের নবজাতকটি পুত্র সন্তান হলেও তার ওজন ১কেজি ৬গ্রাম। তারও রয়েছে নানা সমস্যা। রাখা হয়েছে হাসপাতালের নিবির পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে।
নবজাতকের মা তারিন বলেন, কয়েকদিন আগে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করে রিপোর্টে জানতে পারি দুই বাচ্চার একটি পেটে মারা গেছে আর একটি বাচ্চা বেঁচে আছে। ঘটনাটি জানার পরে বাড়িতে গিয়েছি। গতকাল পেটের ব্যাথা উঠলে আবারও হাসপাতালে আসি।

এখানে এসে নরমলে দুটি বাচ্চা ডেলিভারী হয়েছে। মৃত বাচ্চাটিকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে আর জীবিত বাচ্চাটি হাসপাতালে আছে।নবজাতকদের নানী বলেন, আগে এরকম বাচ্চা কখনও দেখি নাই,এই প্রথম দেখলাম। বাচ্চা দু’টি জন্মের পর অনেক মানুষ দেখতে ভীর করছে হাসপাতালে।
বাচ্চাটিকে দেখতে আসা একজন বলেন, এই প্রথম এরকম বাচ্চা দেখলাম। দেখতে একদম ডিমের মতো। হাত-পা, গলা মাথা কিছুই নেই।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা.আব্দুর রহিম বলেন, হাসপাতালে সাধারণভাবে গর্ভপাত হয়েছে শিশু দু’টির। তবে বিরল আকৃতির শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছে গর্ভে চাপা পড়ে কিংবা জেনিটিক কারণে হতে পারে। আকার আকৃতি নানা থাকায় শিশুটিকে পরিবারের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। আর বেঁচে থাকা নবজাতকটিকে নিবির পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তেজগাঁও রেলস্টেশন ও কারওয়ান বাজারে ৩০০ অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ

নীলফামারীতে হাত-পা ও মাথা বিহীন শিশুর জন্ম

আপডেট সময় ১২:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

নীলফামারীতে একটি মায়ের কোল জুড়ে জন্ম নিয়েছেন দু’টি শিশু। একটি পুত্র সন্তান হলেও আর একটি হয়েছেন বিরল আকৃতির। শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছেন হাত-পা,মাথা ছাড়াই। এখন শিশুটিকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম নিলেও চিকিৎসকরা বলছেন, শিশু দু’টি একসাথে গর্ভে আসায় গর্ভের একটি অংশ চাপা পড়লে শিশুটির আকৃতি অস্বাভিক হয়ে যায়।

আবার এটি জেনিটিক কারণও হতে পারে।জানা যায়, নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের লোকমানপাড়ার তারিন ও মোমিনুর দম্পত্তির কোল আলোকিত করে একে একে জন্ম নেয় দু’টি শিশু। সোমবার বেলা ১২.৩০মিনিটে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে সিজার ছাড়াই সাধারণভাবে এই নবজাতক শিশু দু’টির মধ্যে সর্বপ্রথম ভূমিষ্ঠ হয় বিরল আকৃতির শিশুটি। ১কেজি ৮গ্রাম ওজনের শিশুটির দু’টি আঙ্গুল দেখা গেলেও নেই দেহের গঠন। দেখতে ডিম্বাকৃতির হলেও নেই হাত-পা ও মাথা। আর পরের নবজাতকটি পুত্র সন্তান হলেও তার ওজন ১কেজি ৬গ্রাম। তারও রয়েছে নানা সমস্যা। রাখা হয়েছে হাসপাতালের নিবির পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে।
নবজাতকের মা তারিন বলেন, কয়েকদিন আগে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করে রিপোর্টে জানতে পারি দুই বাচ্চার একটি পেটে মারা গেছে আর একটি বাচ্চা বেঁচে আছে। ঘটনাটি জানার পরে বাড়িতে গিয়েছি। গতকাল পেটের ব্যাথা উঠলে আবারও হাসপাতালে আসি।

এখানে এসে নরমলে দুটি বাচ্চা ডেলিভারী হয়েছে। মৃত বাচ্চাটিকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে আর জীবিত বাচ্চাটি হাসপাতালে আছে।নবজাতকদের নানী বলেন, আগে এরকম বাচ্চা কখনও দেখি নাই,এই প্রথম দেখলাম। বাচ্চা দু’টি জন্মের পর অনেক মানুষ দেখতে ভীর করছে হাসপাতালে।
বাচ্চাটিকে দেখতে আসা একজন বলেন, এই প্রথম এরকম বাচ্চা দেখলাম। দেখতে একদম ডিমের মতো। হাত-পা, গলা মাথা কিছুই নেই।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা.আব্দুর রহিম বলেন, হাসপাতালে সাধারণভাবে গর্ভপাত হয়েছে শিশু দু’টির। তবে বিরল আকৃতির শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছে গর্ভে চাপা পড়ে কিংবা জেনিটিক কারণে হতে পারে। আকার আকৃতি নানা থাকায় শিশুটিকে পরিবারের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। আর বেঁচে থাকা নবজাতকটিকে নিবির পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।