ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি সরকার জনগণের কল্যাণের সরকার- সেলিমুজ্জামান এম,পি দর্শক ফেরাতে আবারও প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছেন পিসিবি প্রধান রাজশাহীর মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, মানববন্ধনে ক্ষোভ হাম উপসর্গে বরিশালে আরও ২ শিশুর মৃত্যু নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার গুঞ্জন ঠাকুরগাঁওয়ে বিতর্কিত পিআইও নুরুন্নবী বদলি: এলাকায় স্বস্তি, তদন্তের দাবি পটুয়াখালীতে সংস্কার কাজে অনিয়ম, ঝুঁকিতে গ্রামীণ সড়কের স্থায়িত্ব বোদায় প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ রেল টেন্ডারে কারসাজি: প্রকৌশলী শাহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সরকারি স্টাফ ও দালাল সিন্ডিকেটে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ

শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মন্ত্রণালয়ের সভা বিকেলে

ঢাকা: তৈরি পোশাক শিল্পে চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সভার আয়োজন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় শ্রম ভবনের ‘সম্প্রীতি’ সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে সভায় মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ নিয়ে গত কিছুদিন ধরে চলছে অস্থিরতা। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার-২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা।

এমন পরিস্থিতিতে গত রোববার (২২ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় ন্যূনতম মজুরি বোর্ডে সরকার-মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার ৩৯৩ টাকা করার প্রস্তাব দেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। তবে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি ১০ হাজার ৪০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন। যা শ্রমিকদের চাওয়ার অর্ধেক। তাই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন শ্রমিকরা।

এরপর থেকেই রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় চলছে শ্রমিক বিক্ষোভ। কোথাও কোথাও তা সংঘর্ষেও রূপ নিচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকেও মিরপুরে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এমন পরিস্থিতিতে মালিকপক্ষ তাদের প্রস্তাবিত ন্যূনতম মজুরি আরেকটু বাড়াতে চান। তবে সেটা কতটুকু তা এখনো জানানো হয়নি।

এদিকে কাজ না করে শ্রমিকরা আন্দোলন করলে বা কারখানা ভাঙচুর করলে মজুরি না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মালিকরা। এমনকি কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।

বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে পোশাক শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি আলোচনা সভায় শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় ‘কাজ নেই, মজুরি নেই’ সিদ্ধান্ত নেন তারা। আলোচনা সভাটি আয়োজন করে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইিএ। যেখানে প্রায় দুইশ কারখানা মালিক উপস্থিত ছিলেন। সভাশেষে বিজিএমইিএর সভাপতি ফারুক হাসান সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি সরকার জনগণের কল্যাণের সরকার- সেলিমুজ্জামান এম,পি

শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মন্ত্রণালয়ের সভা বিকেলে

আপডেট সময় ১১:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

ঢাকা: তৈরি পোশাক শিল্পে চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সভার আয়োজন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় শ্রম ভবনের ‘সম্প্রীতি’ সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে সভায় মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ নিয়ে গত কিছুদিন ধরে চলছে অস্থিরতা। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার-২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা।

এমন পরিস্থিতিতে গত রোববার (২২ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় ন্যূনতম মজুরি বোর্ডে সরকার-মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার ৩৯৩ টাকা করার প্রস্তাব দেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। তবে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি ১০ হাজার ৪০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন। যা শ্রমিকদের চাওয়ার অর্ধেক। তাই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন শ্রমিকরা।

এরপর থেকেই রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় চলছে শ্রমিক বিক্ষোভ। কোথাও কোথাও তা সংঘর্ষেও রূপ নিচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকেও মিরপুরে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এমন পরিস্থিতিতে মালিকপক্ষ তাদের প্রস্তাবিত ন্যূনতম মজুরি আরেকটু বাড়াতে চান। তবে সেটা কতটুকু তা এখনো জানানো হয়নি।

এদিকে কাজ না করে শ্রমিকরা আন্দোলন করলে বা কারখানা ভাঙচুর করলে মজুরি না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মালিকরা। এমনকি কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।

বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে পোশাক শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি আলোচনা সভায় শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় ‘কাজ নেই, মজুরি নেই’ সিদ্ধান্ত নেন তারা। আলোচনা সভাটি আয়োজন করে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইিএ। যেখানে প্রায় দুইশ কারখানা মালিক উপস্থিত ছিলেন। সভাশেষে বিজিএমইিএর সভাপতি ফারুক হাসান সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।