ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিভিল এভিয়েশনের আমিরের ২০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, নেপথ্যে সোনা চোরাচালান অভিযোগ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়ল সোনার দাম ১৪ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তরুণদের শীর্ষে ইয়ামাল ডিসেম্বরের মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্তের সিদ্ধান্ত ইলিশবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ১৯ মামলার আসামি ডাকাত সর্দার ইদ্রিস গ্রেপ্তার ত্রিশালে অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত পরিবেশ, ক্ষতিগ্রস্ত ফসল বরগুনার আমতলীতে সরকারি কোষাগারের ৫ লাখ টাকা গায়েব করল ইউপি কর্মকর্তা জাকির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগ ব্যাশে অভিষেক হচ্ছে মুস্তাফিজের, তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত মেলবোর্ন রেনেগেডস

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, নিয়ন্ত্রণকক্ষ আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ করবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

সারবিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো। ফোন নম্বর ব্যস্ত থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ফোন নম্বর কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান শেখ বদিউল আলম, ০১৭১৩৫৯৩৪৮৭, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নূরুন্নবী ০১৭১৬৪৬২২৭৭, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সার) আমিনুল ইসলাম, ০১৭২৪২৪৫৩৫৪ এবং অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খন্দকার রাশেদ ইফতেখার ০১৮১৪ ৯৪৭০৫৪।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে (২৫ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৫৬ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন ও ডিএপি ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আমন মৌসুমে (আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত) সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ৬ লাখ ১৯ হাজার টন, টিএসপি ১ লাখ ১৯ হাজার টন, ডিএপি ২ লাখ ২৫ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৩৭ হাজার টন।

বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও সারের বর্তমান মজুত বেশি। বিগত বছরে এ সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৫ লাখ ৮৯ হাজার টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৫৬ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৯৬ হাজার টন। বিসিআইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছর ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৯ টন, যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২ হাজার ৬০০ টন বেশি। বিগত বছর এ সময়ে ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছিল ৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৯ টন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিভিল এভিয়েশনের আমিরের ২০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, নেপথ্যে সোনা চোরাচালান অভিযোগ

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু

আপডেট সময় ০৪:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, নিয়ন্ত্রণকক্ষ আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ করবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

সারবিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো। ফোন নম্বর ব্যস্ত থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ফোন নম্বর কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান শেখ বদিউল আলম, ০১৭১৩৫৯৩৪৮৭, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নূরুন্নবী ০১৭১৬৪৬২২৭৭, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সার) আমিনুল ইসলাম, ০১৭২৪২৪৫৩৫৪ এবং অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খন্দকার রাশেদ ইফতেখার ০১৮১৪ ৯৪৭০৫৪।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে (২৫ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৫৬ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন ও ডিএপি ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আমন মৌসুমে (আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত) সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ৬ লাখ ১৯ হাজার টন, টিএসপি ১ লাখ ১৯ হাজার টন, ডিএপি ২ লাখ ২৫ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৩৭ হাজার টন।

বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও সারের বর্তমান মজুত বেশি। বিগত বছরে এ সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৫ লাখ ৮৯ হাজার টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৫৬ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৯৬ হাজার টন। বিসিআইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছর ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৯ টন, যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২ হাজার ৬০০ টন বেশি। বিগত বছর এ সময়ে ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছিল ৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৯ টন।