ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাটোর সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ‘আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কেউ যদি আমার নাম নিয়ে অন্যায় করে, আমি আপনাদের (আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) এই মঞ্চ থেকে অনুমতি দিচ্ছি এবং অনুরোধ করছি, তাঁকে আমার পাশ থেকে তুলে নিয়ে যাবেন। কারণ, কোনোভাবেই কোনো পরিস্থিতিতেই আমি অন্যায় সহ্য করব না, সরকারও সহ্য করবে না।’ গতকাল শনিবার দুপুরে নাটোর সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ফারজানা শারমীন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নাটোর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম নাটোর জেলা সফর। বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ও পুলিশ সুপার এম এ ওয়াহাব তাঁকে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে স্বাগত জানান। পরে তিনি সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলার প্রতিটি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং মতবিনিময় করেন।

পরবর্তী সময়ে ফারজানা শারমীন সার্কিট হাউসের উন্মুক্ত স্থানে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়কারী শুধু অন্যায়কারীই, তাঁর দল বা মত নেই। তাঁকে যেকোনো উপায়ে আইনের আওতায় আনতে হবে।

প্রতিমন্ত্রীর নিজের ওয়ার্ড (লালপুরের গৌরিপুর) থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করা বৈষম্যমূলক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটি সর্বজনীন একটি প্রকল্প। সমাজের সব স্তরের বয়স্ক নারীরা পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পাবেন। এই প্রকল্প পরীক্ষামূলকভাবে ১০ মার্চ শুরু হবে। প্রথমে ১৪টি জেলার ১টি উপজেলার ১টি ইউনিয়নের ১টি ওয়ার্ডের নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীদের এ কার্ড দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবার এ কার্ডের সুবিধা ভোগ করবে। এমনকি আমি ডিসি মহোদয়ও এই কার্ড পাব।’

ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আরও কিছু সরকারি সুবিধা চালু আছে। ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে অন্য সুবিধাভোগীদের যেকোনো একটি সুবিধা নিতে হবে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগী নির্বাচন করবে। এখানে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগানোর সুযোগ নেই।’

পরে প্রতিমন্ত্রী লালপুরের গোপালপুর সুগার মিলে যান। সেখানে নির্বাচিত শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখান থেকে নিজ গ্রাম গৌরিপুরে যান। গৌরিপুর স্কুল মাঠে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোর সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ‘আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কেউ যদি আমার নাম নিয়ে অন্যায় করে, আমি আপনাদের (আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) এই মঞ্চ থেকে অনুমতি দিচ্ছি এবং অনুরোধ করছি, তাঁকে আমার পাশ থেকে তুলে নিয়ে যাবেন। কারণ, কোনোভাবেই কোনো পরিস্থিতিতেই আমি অন্যায় সহ্য করব না, সরকারও সহ্য করবে না।’ গতকাল শনিবার দুপুরে নাটোর সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ফারজানা শারমীন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নাটোর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম নাটোর জেলা সফর। বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ও পুলিশ সুপার এম এ ওয়াহাব তাঁকে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে স্বাগত জানান। পরে তিনি সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলার প্রতিটি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং মতবিনিময় করেন।

পরবর্তী সময়ে ফারজানা শারমীন সার্কিট হাউসের উন্মুক্ত স্থানে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়কারী শুধু অন্যায়কারীই, তাঁর দল বা মত নেই। তাঁকে যেকোনো উপায়ে আইনের আওতায় আনতে হবে।

প্রতিমন্ত্রীর নিজের ওয়ার্ড (লালপুরের গৌরিপুর) থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করা বৈষম্যমূলক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটি সর্বজনীন একটি প্রকল্প। সমাজের সব স্তরের বয়স্ক নারীরা পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পাবেন। এই প্রকল্প পরীক্ষামূলকভাবে ১০ মার্চ শুরু হবে। প্রথমে ১৪টি জেলার ১টি উপজেলার ১টি ইউনিয়নের ১টি ওয়ার্ডের নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীদের এ কার্ড দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবার এ কার্ডের সুবিধা ভোগ করবে। এমনকি আমি ডিসি মহোদয়ও এই কার্ড পাব।’

ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আরও কিছু সরকারি সুবিধা চালু আছে। ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে অন্য সুবিধাভোগীদের যেকোনো একটি সুবিধা নিতে হবে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগী নির্বাচন করবে। এখানে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগানোর সুযোগ নেই।’

পরে প্রতিমন্ত্রী লালপুরের গোপালপুর সুগার মিলে যান। সেখানে নির্বাচিত শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখান থেকে নিজ গ্রাম গৌরিপুরে যান। গৌরিপুর স্কুল মাঠে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে।