ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

হাইকোর্টের আদেশে পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ

খুলনা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাইকগাছা পৌরসভার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা ১৮ বছর পর উচ্চ আদালতের আদেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকার কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিনের উপস্থিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম মাহমুদুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম।

জানা যায়, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রিট মামলা নং- ৩৫৯০/২০০৫ ও কন্টেম পিটিশন নং- ১০২/২২ মোতাবেক শনিবার (২০মে) দুপুরে আদালতের আদেশ কার্যকর করা হয়।

এ সময় ৩০ টি পাঁকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হয়। ১৯৮০ সালে  মধুমিতা পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে একশ্রেণির লোক পার্কের জায়গা দখল করে পাঁকা স্থাপনা করতে থাকলে এর প্রতিবাদে গঠিত হয় মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি। হয় ব্যাপক আন্দোলন ও সংগ্রাম। এ ব্যাপারে দখলবাজী বন্ধ না হওয়ায় সহকারী জজ আদালত পাইকগাছায় অবৈধ বন্দোবস্ত ও দখলকারিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে  মামলা করা হলে বিজ্ঞ আদালত  নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।

এ আদেশ অমান্য করে দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করতে থাকলে সংরক্ষণ কমিটি ২০০৫ সালে মহামান্য হাইকোর্টে ৩৫৯০/০৫ রিট পিটিশন  করেন। মহামান্য হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে ২০০৫সালের ২৪মে মধুমিতা পার্কের অভ্যান্তরে অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন।

এরপরও অদ্যাবধি সকল কর্মকান্ড অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে  ১০২/২২ কন্টেম পিটিশন হলে শুনানি অন্তে গত  ১৩ মার্চ মহামান্য হাইকোর্ট মামলার বিবাদীদেরকে  ২০ দিনের মধ্যে সকল অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে পার্কটিকে পূর্বের অবস্হায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী এ্যাড.  জি,এ সবুর ও পার্ক সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এ্যাড. এফ,এম,এ রাজ্জাক বলেন, দেরিতে হলেও পার্কের জায়গা দখল মুক্ত হওয়ায় আমরাসহ পৌরবাসী খুশি।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

হাইকোর্টের আদেশে পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় ০১:৩৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

খুলনা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাইকগাছা পৌরসভার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা ১৮ বছর পর উচ্চ আদালতের আদেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকার কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিনের উপস্থিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম মাহমুদুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম।

জানা যায়, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রিট মামলা নং- ৩৫৯০/২০০৫ ও কন্টেম পিটিশন নং- ১০২/২২ মোতাবেক শনিবার (২০মে) দুপুরে আদালতের আদেশ কার্যকর করা হয়।

এ সময় ৩০ টি পাঁকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হয়। ১৯৮০ সালে  মধুমিতা পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে একশ্রেণির লোক পার্কের জায়গা দখল করে পাঁকা স্থাপনা করতে থাকলে এর প্রতিবাদে গঠিত হয় মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি। হয় ব্যাপক আন্দোলন ও সংগ্রাম। এ ব্যাপারে দখলবাজী বন্ধ না হওয়ায় সহকারী জজ আদালত পাইকগাছায় অবৈধ বন্দোবস্ত ও দখলকারিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে  মামলা করা হলে বিজ্ঞ আদালত  নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।

এ আদেশ অমান্য করে দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করতে থাকলে সংরক্ষণ কমিটি ২০০৫ সালে মহামান্য হাইকোর্টে ৩৫৯০/০৫ রিট পিটিশন  করেন। মহামান্য হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে ২০০৫সালের ২৪মে মধুমিতা পার্কের অভ্যান্তরে অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন।

এরপরও অদ্যাবধি সকল কর্মকান্ড অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে  ১০২/২২ কন্টেম পিটিশন হলে শুনানি অন্তে গত  ১৩ মার্চ মহামান্য হাইকোর্ট মামলার বিবাদীদেরকে  ২০ দিনের মধ্যে সকল অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে পার্কটিকে পূর্বের অবস্হায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী এ্যাড.  জি,এ সবুর ও পার্ক সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এ্যাড. এফ,এম,এ রাজ্জাক বলেন, দেরিতে হলেও পার্কের জায়গা দখল মুক্ত হওয়ায় আমরাসহ পৌরবাসী খুশি।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল