সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

আজিমপুরে উদ্বোধন হলো ঢাকা দক্ষিণের চতুর্থ কৃষকের বাজার

আজিমপুর রোডে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানার সামনে আয়োজিত কৃষকের বাজারে প্রতি শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সাভারের ভাকুর্তা থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই করা ১০ জন নিরাপদ চাষী তাদের উৎপাদিত সবজি এবং ফলমূল বিক্রি করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর আমরা এখন নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি। নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষকের বাজার এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। কৃষকের বাজার কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং কৃষকদের যেন স্থানীয় হকার বা দোকানিদের থেকে কোনো ধরনের অনিরাপদ পরিস্থিতির শিকার না হতে হয়, সে বিষয়ে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের নেতৃত্বে কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।

সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বজলুর রশীদ বলেন, সবজি চাষে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি মাটি, পানি, বায়ু দূষিত হয় এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দেশব্যাপী কৃষকদের সবজি চাষে জৈব সার প্রয়োগ এবং পোকা দমনে ফেরোমেন ফাঁদ, আঠালো ফাঁদ ইত্যাদি ব্যবহারে উৎসাহী করছে। কৃষকদের বাজার ব্যবস্থাপনায় সেভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় তারা পণ্যের সঠিক মূল্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কৃষকের বাজারের মতো উদ্যোগগুলো কৃষকদের লাভবান করবে।

ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের বিষয়ে আমাদের জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। বিশেষত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই। পাশাপাশি ছাদবাগান তৈরিতেও আমাদের জনগণকে আগ্রহী করে তুলতে হবে। এতে একদিকে যেমন নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণ হবে, তেমনি নগর অঞ্চলে তাপমাত্রা হ্রাসেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

আজিমপুরে উদ্বোধন হলো ঢাকা দক্ষিণের চতুর্থ কৃষকের বাজার

আপডেট সময় ০৩:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২

আজিমপুর রোডে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানার সামনে আয়োজিত কৃষকের বাজারে প্রতি শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সাভারের ভাকুর্তা থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই করা ১০ জন নিরাপদ চাষী তাদের উৎপাদিত সবজি এবং ফলমূল বিক্রি করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর আমরা এখন নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি। নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষকের বাজার এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। কৃষকের বাজার কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং কৃষকদের যেন স্থানীয় হকার বা দোকানিদের থেকে কোনো ধরনের অনিরাপদ পরিস্থিতির শিকার না হতে হয়, সে বিষয়ে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের নেতৃত্বে কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।

সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বজলুর রশীদ বলেন, সবজি চাষে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি মাটি, পানি, বায়ু দূষিত হয় এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দেশব্যাপী কৃষকদের সবজি চাষে জৈব সার প্রয়োগ এবং পোকা দমনে ফেরোমেন ফাঁদ, আঠালো ফাঁদ ইত্যাদি ব্যবহারে উৎসাহী করছে। কৃষকদের বাজার ব্যবস্থাপনায় সেভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় তারা পণ্যের সঠিক মূল্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কৃষকের বাজারের মতো উদ্যোগগুলো কৃষকদের লাভবান করবে।

ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের বিষয়ে আমাদের জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। বিশেষত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই। পাশাপাশি ছাদবাগান তৈরিতেও আমাদের জনগণকে আগ্রহী করে তুলতে হবে। এতে একদিকে যেমন নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণ হবে, তেমনি নগর অঞ্চলে তাপমাত্রা হ্রাসেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।