ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগ

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগ এনেছেন পুলিশ কর্মকর্তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তার ।

নাসিমা আক্তারের পিতা: মন্ত্রী খা, গ্রাম: পূর্ব বড়ালী।থানা: ফরিদগঞ্জ, জেলা: চাঁদপুর। অভিযুক্ত ফারুক হোসেন এ এস আই বাংলাদেশ পুলিশ,বর্তমানে কনস্টেবল পদে খাগড়াছড়ি থানায় নিয়োজিত। তার গ্রামের বাড়ি রাখালিয়া ,থানা: রায়পুর,জেলা লক্ষ্মীপুর। তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার অভিযোগ করেন যে চাঁদপুর জেলাধীন ফরিদগঞ্জ থানার গৃদকালিন্দিয়া পুলিশ পাড়ীতে চাকরির সুবাদে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন বিবাহিত নাসিমা আক্তার শেফালির সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।

নাসিম আক্তারের স্বামীর তখন দুবাইতে অবস্থানরত ছিল। পরবর্তীতে যখন দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় ,লোক জানাজানি হলে তখন তার স্বামী দুবাই থেকে এসে তাকে তালাক দেয় , তার আগের স্বামীর ঘরে দুইটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। তখন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে অবিবাহিত বলে দাবি করে তাকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিয়ের পরে নাসিমা আক্তার জানতে পারেন যে তার আগে আরেকজন স্ত্রী রয়েছেন। যখন নাসিমা আক্তার বিয়ের পরে তাকে বলেন যে তুমি আমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাও তখন তিনি বলেন যে আমি ওখানে কখনো নিতে পারবো না তোমাকে আমি ফরিদগঞ্জে বাসা ভাড়া করে রাখবো।

সুন্দর ভাবে চলছিল তাদের দুই বছর, পরবর্তীতে তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পুত্র সন্তান জন্ম নেওয়ার পরে তার স্বামী ফারুক হোসেন দাবি করেন যে এই সন্তান তার না।তাকে ডিএন টেস্ট করতে বলে তার স্বামী।

নাসিম আক্তারের স্বামী ফারুক হোসেন কে বিভিন্ন চাকরির সুবাদে প্রথমে দিয়েছে তিন লাখ তারপরে 2 লাখ আরও মিলে টোটালি ৮ লক্ষ টাকা দেন।

নাসিম আক্তার দাবি করেন যে ৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার পরও বর্তমানে বিভিন্ন উছিলা ধরে তার থেকে আরও দশ লক্ষ টাকা দাবি করেন, কিন্তু তিনি দিতে অক্ষম। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ও ডিআইজি মহাদয়ের বরাবর ৭-১০ ১৯ সালে এটার অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার এ এস আই থেকে তাকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করেন।

বর্তমান মামলা চলমান অবস্থা আছে চাঁদপুর কোটে। নাসিমা দাবি তার সন্তানসোতাকে তার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিন্তু তার স্বামী ফারুক হোসেন এটা নিতে নারাজ।

সে তার স্ত্রী সন্তানদের কোন খোঁজ খবর নেয় না।অভাব অনটনের দিন কাটছে তাদের। নাসিমা আক্তার বাংলাদেশ পুলিশের কাছ থেকে তার সুস্থ বিচার দাবি করেন।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:৩০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগ এনেছেন পুলিশ কর্মকর্তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তার ।

নাসিমা আক্তারের পিতা: মন্ত্রী খা, গ্রাম: পূর্ব বড়ালী।থানা: ফরিদগঞ্জ, জেলা: চাঁদপুর। অভিযুক্ত ফারুক হোসেন এ এস আই বাংলাদেশ পুলিশ,বর্তমানে কনস্টেবল পদে খাগড়াছড়ি থানায় নিয়োজিত। তার গ্রামের বাড়ি রাখালিয়া ,থানা: রায়পুর,জেলা লক্ষ্মীপুর। তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার অভিযোগ করেন যে চাঁদপুর জেলাধীন ফরিদগঞ্জ থানার গৃদকালিন্দিয়া পুলিশ পাড়ীতে চাকরির সুবাদে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন বিবাহিত নাসিমা আক্তার শেফালির সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।

নাসিম আক্তারের স্বামীর তখন দুবাইতে অবস্থানরত ছিল। পরবর্তীতে যখন দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় ,লোক জানাজানি হলে তখন তার স্বামী দুবাই থেকে এসে তাকে তালাক দেয় , তার আগের স্বামীর ঘরে দুইটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। তখন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে অবিবাহিত বলে দাবি করে তাকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিয়ের পরে নাসিমা আক্তার জানতে পারেন যে তার আগে আরেকজন স্ত্রী রয়েছেন। যখন নাসিমা আক্তার বিয়ের পরে তাকে বলেন যে তুমি আমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাও তখন তিনি বলেন যে আমি ওখানে কখনো নিতে পারবো না তোমাকে আমি ফরিদগঞ্জে বাসা ভাড়া করে রাখবো।

সুন্দর ভাবে চলছিল তাদের দুই বছর, পরবর্তীতে তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পুত্র সন্তান জন্ম নেওয়ার পরে তার স্বামী ফারুক হোসেন দাবি করেন যে এই সন্তান তার না।তাকে ডিএন টেস্ট করতে বলে তার স্বামী।

নাসিম আক্তারের স্বামী ফারুক হোসেন কে বিভিন্ন চাকরির সুবাদে প্রথমে দিয়েছে তিন লাখ তারপরে 2 লাখ আরও মিলে টোটালি ৮ লক্ষ টাকা দেন।

নাসিম আক্তার দাবি করেন যে ৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার পরও বর্তমানে বিভিন্ন উছিলা ধরে তার থেকে আরও দশ লক্ষ টাকা দাবি করেন, কিন্তু তিনি দিতে অক্ষম। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ও ডিআইজি মহাদয়ের বরাবর ৭-১০ ১৯ সালে এটার অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার এ এস আই থেকে তাকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করেন।

বর্তমান মামলা চলমান অবস্থা আছে চাঁদপুর কোটে। নাসিমা দাবি তার সন্তানসোতাকে তার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিন্তু তার স্বামী ফারুক হোসেন এটা নিতে নারাজ।

সে তার স্ত্রী সন্তানদের কোন খোঁজ খবর নেয় না।অভাব অনটনের দিন কাটছে তাদের। নাসিমা আক্তার বাংলাদেশ পুলিশের কাছ থেকে তার সুস্থ বিচার দাবি করেন।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল