সংবাদ শিরোনাম ::
বড়লেখায় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ বড়লেখা-জুড়ীর নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাইলেন এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে  বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার ঢাকা ওয়াসার মিটার রিডার থেকে কোটিপতি: ওয়াসা কর্মকর্তা হারুনের অ’বৈধ সম্পদের পাহাড় ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত জামিল, প্রভাব খাটিয়ে আবারও চট্টগ্রাম ডিপোতে! খামারবাড়িতে কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ, কেন্দ্রে ‘ডিজি’ মাসুম বিল্লাহ সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে শুভঙ্করের ফাঁকি ৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট বাংলাদেশের স্কুলে বিতরণের জন্য ১ হাজার ফুটবল উপহার দিল পাকিস্তান আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা: র‌্যাব

হেমন্ত এলো প্রকৃতি জুড়ে

  • আসিফ জাহান, ঢাকা
  • আপডেট সময় ০৩:৩২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২
  • ৮৬২ বার পড়া হয়েছে

আবহমান বাংলায় ষড় ঋতুর পরিক্রমায় আজ থেকে শুরু হলো হেমন্ত। শরত্কালের পর কার্তিক-অগ্রহায়ণ মিলে এই হেমন্ত।  

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে ধীর পায়ে প্রকৃতিতে আসে হেমন্ত। তাই তো  একে বলা হয় শীতের বাহন। পঞ্জিকার পাতায় আজ থেকে হেমন্ত শুরু হলেও প্রকৃতিতে অনুভূত হচ্ছে ঈষত্ শীতের আমেজ। গ্রামীণ জনপদে এখন হিম হিম অনুভব।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কার্তিকের ঋতু হেমন্তকে নিয়ে লিখেছেন- ‘আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে/ জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে/ শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার/ রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার/ স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি।’

তবে শরতের পরে আর শীতের আগে এ ঋতু এখন যেন কাগুজে ঋতুতে পরিণত হয়েছে। বাস্তবে এ ঋতুর আবেশ বাঙালির ঐতিহ্য থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে।

এখন থেকে যত দিন যাবে, ততই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমতে থাকবে। পার্থক্য যত কমবে, তত শীত বাড়তে থাকবে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে এখন প্রকৃতি যেন আর নিয়ম মানছে না। অনেকটা খামখেয়ালী হয়ে উঠেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়লেখায় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ

হেমন্ত এলো প্রকৃতি জুড়ে

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২

আবহমান বাংলায় ষড় ঋতুর পরিক্রমায় আজ থেকে শুরু হলো হেমন্ত। শরত্কালের পর কার্তিক-অগ্রহায়ণ মিলে এই হেমন্ত।  

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে ধীর পায়ে প্রকৃতিতে আসে হেমন্ত। তাই তো  একে বলা হয় শীতের বাহন। পঞ্জিকার পাতায় আজ থেকে হেমন্ত শুরু হলেও প্রকৃতিতে অনুভূত হচ্ছে ঈষত্ শীতের আমেজ। গ্রামীণ জনপদে এখন হিম হিম অনুভব।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কার্তিকের ঋতু হেমন্তকে নিয়ে লিখেছেন- ‘আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে/ জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে/ শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার/ রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার/ স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি।’

তবে শরতের পরে আর শীতের আগে এ ঋতু এখন যেন কাগুজে ঋতুতে পরিণত হয়েছে। বাস্তবে এ ঋতুর আবেশ বাঙালির ঐতিহ্য থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে।

এখন থেকে যত দিন যাবে, ততই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমতে থাকবে। পার্থক্য যত কমবে, তত শীত বাড়তে থাকবে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে এখন প্রকৃতি যেন আর নিয়ম মানছে না। অনেকটা খামখেয়ালী হয়ে উঠেছে।