ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

‘সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ’

সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ। সেজন্য সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে আগের চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের দায়িত্ব সুন্দর করে সম্পন্ন করতে চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন সেনাপ্রধান। সেনাপ্রধান বলেন, আমার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে পরপর দুই বছর উপস্থিত হওয়াটা এটাই প্রমাণ করে, এটাকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ে যারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখেন তারা হলেন জেলা প্রশাসক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অনেকগুলো ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করে যেগুলো কিন্তু বেসামরিক প্রশাসনের আওতায়। এ কাজগুলো করতে গেলে আমাদের বেসরকারি প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন ছাড়া করা অসম্ভব।

সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের মধ্যে কালচারাল ডিফারেন্স থাকতে পারে। কিন্তু উদ্দেশ্য একই। কর্ম পদ্ধতির সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় কিছু কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে। যত আমরা এগুলো দূর করতে পারব, আমাদের কাজের নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখে আমরা তত পারফর্ম করতে পারব।

তিনি বলেন, কীভাবে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি, সেগুলো আলোচনা করছি। কয়েকজন ডিসি এবং ডিভিশনাল কমিশনার স্পষ্টভাবে বলেছেন, সেনাবাহিনী কত ভালো কাজ করেছে এবং তারা কতটা খুশি। তখন আমি বলেছি, এ কথাটা আমি সেনাবাহিনীর সর্বস্তরে পৌঁছে দেব। এটা তাদের মনোবল বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে তাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে সেনাপ্রধান বলেন, সীমান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

‘সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ’

আপডেট সময় ১২:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ। সেজন্য সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে আগের চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের দায়িত্ব সুন্দর করে সম্পন্ন করতে চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন সেনাপ্রধান। সেনাপ্রধান বলেন, আমার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে পরপর দুই বছর উপস্থিত হওয়াটা এটাই প্রমাণ করে, এটাকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ে যারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখেন তারা হলেন জেলা প্রশাসক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অনেকগুলো ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করে যেগুলো কিন্তু বেসামরিক প্রশাসনের আওতায়। এ কাজগুলো করতে গেলে আমাদের বেসরকারি প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন ছাড়া করা অসম্ভব।

সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের মধ্যে কালচারাল ডিফারেন্স থাকতে পারে। কিন্তু উদ্দেশ্য একই। কর্ম পদ্ধতির সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় কিছু কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে। যত আমরা এগুলো দূর করতে পারব, আমাদের কাজের নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখে আমরা তত পারফর্ম করতে পারব।

তিনি বলেন, কীভাবে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি, সেগুলো আলোচনা করছি। কয়েকজন ডিসি এবং ডিভিশনাল কমিশনার স্পষ্টভাবে বলেছেন, সেনাবাহিনী কত ভালো কাজ করেছে এবং তারা কতটা খুশি। তখন আমি বলেছি, এ কথাটা আমি সেনাবাহিনীর সর্বস্তরে পৌঁছে দেব। এটা তাদের মনোবল বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে তাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে সেনাপ্রধান বলেন, সীমান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়নি।