ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোহাম্মদপুরে আকলিমা-নুরের নামজারি সিন্ডিকেট: ঘুষ না দিলেই ফাইল বন্দি ঢাবিতে ৯ ককটেল বিস্ফোরণ: আটক তিনজনের পরিচয় জানা গেল দুর্নীতিতে কার্যকারিতা হারিয়েছে সমবায় সমিতিগুলো: রাষ্ট্রপতি সরকারি ওষুধ কেনা-বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, রাজস্থলী হাসপাতালে দুদকের অভিযান এলজিইডির উদ্যোগে পঞ্চগড়ে তিন সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন আ.লীগের ফিরে আসা জনগণ মেনে নেবে না: রিজভী ২০২৯ সালের নির্বাচনে মোদি সরকারের পতনের ভবিষ্যদ্বাণী দীপকের ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখা নিয়ে ক্ষোভ, ডিসিকে অপসারণে ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ফ্লাইওভার থেকে পল্লবী থানায় ককটেল নিক্ষেপ দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণে পাকিস্তান গেলেন ৩৪ সরকারি কর্মকর্তা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে ইবিতে নানা আয়োজন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নিচতলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতাটি দুটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ক্যাটাগরিতে প্রথম থেকে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শহীদ জিয়াউর রহমান: সৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে ২৯ জন শিক্ষার্থী রচনা জমা দেন। জমা দেওয়া রচনাগুলো এআই (AI) বিশ্লেষণ, প্লেজিয়ারিজম পরীক্ষা ও ম্যানুয়াল যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করে সেরা তিনজনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিউর ইসলাম। দ্বিতীয় হন শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ফাইহা মেহজাবিন তিষা এবং তৃতীয় হন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শীলা আক্তার।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সিপাহী-জনতার বিপ্লব: প্রেক্ষাপট ও ফলাফল’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। দ্বিতীয় হন উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের এবং তৃতীয় হন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নাজমুল হোসাইন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই। সবাই ভালো লিখেছে এবং ভালো প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় কাউকে না কাউকে বাছাই করতে হয়। তাই যথাসম্ভব স্বচ্ছতা বজায় রেখে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়েছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা অনেক কষ্ট করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে যে সময় ব্যয় করেছে এবং নিজেদের মেধার প্রয়োগ ঘটিয়েছে, তা তাদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ তাদের মননে ধারণ করে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

তিনি আরও বলেন, এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। অনেক কষ্ট করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আপনারা আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করেছেন। পাশাপাশি সফল অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট আয়োজকদেরও ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরে আকলিমা-নুরের নামজারি সিন্ডিকেট: ঘুষ না দিলেই ফাইল বন্দি

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে ইবিতে নানা আয়োজন

আপডেট সময় ০৩:১৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নিচতলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতাটি দুটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ক্যাটাগরিতে প্রথম থেকে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শহীদ জিয়াউর রহমান: সৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে ২৯ জন শিক্ষার্থী রচনা জমা দেন। জমা দেওয়া রচনাগুলো এআই (AI) বিশ্লেষণ, প্লেজিয়ারিজম পরীক্ষা ও ম্যানুয়াল যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করে সেরা তিনজনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিউর ইসলাম। দ্বিতীয় হন শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ফাইহা মেহজাবিন তিষা এবং তৃতীয় হন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শীলা আক্তার।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সিপাহী-জনতার বিপ্লব: প্রেক্ষাপট ও ফলাফল’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। দ্বিতীয় হন উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের এবং তৃতীয় হন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নাজমুল হোসাইন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই। সবাই ভালো লিখেছে এবং ভালো প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় কাউকে না কাউকে বাছাই করতে হয়। তাই যথাসম্ভব স্বচ্ছতা বজায় রেখে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়েছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা অনেক কষ্ট করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে যে সময় ব্যয় করেছে এবং নিজেদের মেধার প্রয়োগ ঘটিয়েছে, তা তাদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ তাদের মননে ধারণ করে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

তিনি আরও বলেন, এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। অনেক কষ্ট করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আপনারা আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করেছেন। পাশাপাশি সফল অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট আয়োজকদেরও ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।