ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পোশাকশিল্পে চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক শ্রমিক আন্দোলন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজাহানপুরে রাজউকের নকশা লঙ্ঘন করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ, নেপথ্যে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ চীনা মন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান গড়ছে সশস্ত্র বাহিনী ফায়ার সার্ভিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নে তদবির, মামুনুর রশিদকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের পরাজয়ে তেহরানে ইরানিদের উল্লাস জুলাইয়ের অর্জন ধরে রাখতে নতুন বিপ্লবের প্রস্তুতি নিতে হবে: মাহমুদুর রহমান সাফের ১০ কোটি টাকার স্পন্সরশিপে ৩ কোটি কমিশনের অভিযোগ, বিতর্কে সালাউদ্দিন-কিরন ভালুকায় সাত বছরের শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার তাড়াইলে মাদকবিরোধী অভিযানে তৎপর এসআই ফোরকান মোল্লা, স্বস্তিতে এলাকাবাসী

ভালুকায় সাত বছরের শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি ছোট কাশর চৌরাস্তা (লবণ কুঠার রোড) এলাকায় অবস্থিত ‘মাদ্রাসাতুত তাকওয়া বালক ও বালিকা শাখা’র এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে আবাসিক, অনাবাসিক ও ডে-কেয়ার চালুর পাশাপাশি নূরানি কিন্ডারগার্টেন, নাজেরা বিভাগ, হিফজ বিভাগ এবং মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনার কথা বলা হলেও এর আড়ালে বিভিন্ন অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ওই প্রতিষ্ঠানে বসেই নিয়মিত কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চিকিৎসার নামে প্রতিদিন তাঁর কাছে ১০ থেকে ২০ জন নারী আসতেন বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।

শিশুটির প্রতি অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। পরে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

শিক্ষার নামে বাণিজ্য ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছোট কাশর এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকৃত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মানের পাশাপাশি কোমলমতি শিশু ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাকশিল্পে চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক শ্রমিক আন্দোলন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভালুকায় সাত বছরের শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি ছোট কাশর চৌরাস্তা (লবণ কুঠার রোড) এলাকায় অবস্থিত ‘মাদ্রাসাতুত তাকওয়া বালক ও বালিকা শাখা’র এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে আবাসিক, অনাবাসিক ও ডে-কেয়ার চালুর পাশাপাশি নূরানি কিন্ডারগার্টেন, নাজেরা বিভাগ, হিফজ বিভাগ এবং মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনার কথা বলা হলেও এর আড়ালে বিভিন্ন অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ওই প্রতিষ্ঠানে বসেই নিয়মিত কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চিকিৎসার নামে প্রতিদিন তাঁর কাছে ১০ থেকে ২০ জন নারী আসতেন বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।

শিশুটির প্রতি অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। পরে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

শিক্ষার নামে বাণিজ্য ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছোট কাশর এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকৃত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মানের পাশাপাশি কোমলমতি শিশু ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।