ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তাহসিফের সুরতহাল প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে চাপে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন, ঠাঁই হলো দাদার কবরের পাশে জাপান সফর শেষে রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পে ধীরগতি, দুই মাসের সময় বেঁধে দিলেন প্রতিমন্ত্রী সাভারে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে জামাল ইয়ার্ন ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড দৌলতখানে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে পাঠদান নিয়ে প্রশ্ন শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২
রিপোর্ট না দেখেই ব্যবস্থাপত্র

শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ চিকিৎসক রমজান আলীর বিরুদ্ধে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১২ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসকের পছন্দের ক্লিনিকে পরীক্ষা না করানোর অপরাধে এক নারী রোগীর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা এবং অন্য জায়গা থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনা রিপোর্ট না দেখেই ব্যবস্থাপত্র লিখে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রমজান আলীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে সত্যতা জানতে চাওয়া এক সংবাদকর্মীর সঙ্গেও ওই চিকিৎসক ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের পরিচালক জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এর আগেও একই ধরনের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী রোগীর অভিযোগ:

হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা নগরীর কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড এলাকার বাসিন্দা সরুজ মল্লিকের স্ত্রী নাজমা বেগম অভিযোগ করে জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি তীব্র মাথাব্যথায় ভুগছেন। গত বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মেডিসিন বিভাগের নিচতলায় মেডিকেল অফিসার ডা. রমজান আলীকে দেখানোর জন্য সিরিয়ালে দাঁড়ান। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে দেখে কয়েকটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন।

নাজমা বেগমের অভিযোগ, চিকিৎসক রমজান আলী তাঁকে কক্ষের এক নারীকে দেখিয়ে দিয়ে তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষাগুলো করানোর জন্য তাগিদ দেন। তবে ওই নির্দিষ্ট ক্লিনিকের অতিরিক্ত ফি এড়াতে তিনি অন্য একটি ক্লিনিক (‘সায়েন্স ল্যাব’) থেকে তুলনামূলক কম খরচে পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করেন।

পরে পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানতে চান কেন তাঁর পছন্দের ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করানো হয়নি। নিজের পছন্দমতো ক্লিনিকে পরীক্ষা না করানোর ক্ষোভে ডা. রমজান আলী তাঁকে অকারণে বকাঝকা করেন এবং বাহ্যিক রিপোর্টগুলো এক নজর না দেখেই তড়িঘড়ি করে ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। রোগী এর প্রতিবাদ করলে চিকিৎসকের সহযোগীরা তাঁকে জোরপূর্বক কক্ষ থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী আরও জানান, এর আগেও তিনি এই চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তখনও তাঁকে একইভাবে বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই চিকিৎসকের কক্ষের সামনে সব সময় কয়েকজন নারী দালাল বা সহযোগী অবস্থান করেন। রোগী দেখার পর ওই চক্রের মাধ্যমেই রোগীদের সুনির্দিষ্ট ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে পাঠানো হয়। সেখানে পরীক্ষা না করালেই রোগীদের সঙ্গে বাজে আচরণ করা হয়।

সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ:

রোগীর কাছ থেকে অনিয়মের এই অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এক সংবাদকর্মী। এ সময় হাসপাতালের পরিচালকের অনুমতি ছাড়া তাঁর কক্ষে কেন প্রবেশ করা হয়েছে—এই অজুহাত তুলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ডা. রমজান আলী। তিনি উপস্থিত ওই প্রতিবেদকের সঙ্গে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং কক্ষে হট্টগোল সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অন্যান্য রোগীরাও ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। সাধারণ রোগীদের অভিযোগ, দালাল ও নির্দিষ্ট ক্লিনিক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শেবাচিম হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন এই চিকিৎসক। তবে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে একপর্যায়ে ডা. রমজান আলী নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ জানান বলে জানা যায়।

সাংবাদিক ও স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:

শেবাচিম হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত একাধিক সংবাদকর্মী জানান, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য দিন দিন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিলেও সব অসহায় রোগী পরিচালকের কাছে যেতে সাহস পান না। এই সুযোগে দালাল ও কিছু অসাধু চিকিৎসক মিলে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। দালালদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে উল্টো রোগী ও সংবাদকর্মীদের ভয়ভীতি ও নানা উপায়ে হয়রানি করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:

সমগ্র ঘটনার বিষয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর গণমাধ্যমকে বলেন, “অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. রমজান আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পরিচালক আরও বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে হাসপাতালের পরিবেশ শৃঙ্খলাপূর্ণ করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছি এবং অনেকটাই সফল হয়েছি। হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য ও সিন্ডিকেট প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো অনিয়ম ও অপরাধীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাহসিফের সুরতহাল প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য

রিপোর্ট না দেখেই ব্যবস্থাপত্র

শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ চিকিৎসক রমজান আলীর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ১২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসকের পছন্দের ক্লিনিকে পরীক্ষা না করানোর অপরাধে এক নারী রোগীর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা এবং অন্য জায়গা থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনা রিপোর্ট না দেখেই ব্যবস্থাপত্র লিখে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রমজান আলীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে সত্যতা জানতে চাওয়া এক সংবাদকর্মীর সঙ্গেও ওই চিকিৎসক ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের পরিচালক জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এর আগেও একই ধরনের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী রোগীর অভিযোগ:

হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা নগরীর কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড এলাকার বাসিন্দা সরুজ মল্লিকের স্ত্রী নাজমা বেগম অভিযোগ করে জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি তীব্র মাথাব্যথায় ভুগছেন। গত বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মেডিসিন বিভাগের নিচতলায় মেডিকেল অফিসার ডা. রমজান আলীকে দেখানোর জন্য সিরিয়ালে দাঁড়ান। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে দেখে কয়েকটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন।

নাজমা বেগমের অভিযোগ, চিকিৎসক রমজান আলী তাঁকে কক্ষের এক নারীকে দেখিয়ে দিয়ে তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষাগুলো করানোর জন্য তাগিদ দেন। তবে ওই নির্দিষ্ট ক্লিনিকের অতিরিক্ত ফি এড়াতে তিনি অন্য একটি ক্লিনিক (‘সায়েন্স ল্যাব’) থেকে তুলনামূলক কম খরচে পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করেন।

পরে পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানতে চান কেন তাঁর পছন্দের ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করানো হয়নি। নিজের পছন্দমতো ক্লিনিকে পরীক্ষা না করানোর ক্ষোভে ডা. রমজান আলী তাঁকে অকারণে বকাঝকা করেন এবং বাহ্যিক রিপোর্টগুলো এক নজর না দেখেই তড়িঘড়ি করে ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। রোগী এর প্রতিবাদ করলে চিকিৎসকের সহযোগীরা তাঁকে জোরপূর্বক কক্ষ থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী আরও জানান, এর আগেও তিনি এই চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তখনও তাঁকে একইভাবে বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই চিকিৎসকের কক্ষের সামনে সব সময় কয়েকজন নারী দালাল বা সহযোগী অবস্থান করেন। রোগী দেখার পর ওই চক্রের মাধ্যমেই রোগীদের সুনির্দিষ্ট ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে পাঠানো হয়। সেখানে পরীক্ষা না করালেই রোগীদের সঙ্গে বাজে আচরণ করা হয়।

সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ:

রোগীর কাছ থেকে অনিয়মের এই অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এক সংবাদকর্মী। এ সময় হাসপাতালের পরিচালকের অনুমতি ছাড়া তাঁর কক্ষে কেন প্রবেশ করা হয়েছে—এই অজুহাত তুলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ডা. রমজান আলী। তিনি উপস্থিত ওই প্রতিবেদকের সঙ্গে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং কক্ষে হট্টগোল সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অন্যান্য রোগীরাও ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। সাধারণ রোগীদের অভিযোগ, দালাল ও নির্দিষ্ট ক্লিনিক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শেবাচিম হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন এই চিকিৎসক। তবে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে একপর্যায়ে ডা. রমজান আলী নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ জানান বলে জানা যায়।

সাংবাদিক ও স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:

শেবাচিম হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত একাধিক সংবাদকর্মী জানান, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য দিন দিন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিলেও সব অসহায় রোগী পরিচালকের কাছে যেতে সাহস পান না। এই সুযোগে দালাল ও কিছু অসাধু চিকিৎসক মিলে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। দালালদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে উল্টো রোগী ও সংবাদকর্মীদের ভয়ভীতি ও নানা উপায়ে হয়রানি করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:

সমগ্র ঘটনার বিষয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর গণমাধ্যমকে বলেন, “অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. রমজান আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পরিচালক আরও বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে হাসপাতালের পরিবেশ শৃঙ্খলাপূর্ণ করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছি এবং অনেকটাই সফল হয়েছি। হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য ও সিন্ডিকেট প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো অনিয়ম ও অপরাধীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।