ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তাহসিফের সুরতহাল প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে চাপে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন, ঠাঁই হলো দাদার কবরের পাশে জাপান সফর শেষে রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পে ধীরগতি, দুই মাসের সময় বেঁধে দিলেন প্রতিমন্ত্রী সাভারে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে জামাল ইয়ার্ন ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড দৌলতখানে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে পাঠদান নিয়ে প্রশ্ন শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২

জাপান সফর শেষে রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

চার দিনের জাপান সফর শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইট টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চার দিনের এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও শিল্প খাতে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিয়ে তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তিনি।

জাপান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, অবকাঠামো, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান সরকারের সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নতুন এই সফরের মধ্য দিয়ে সেই সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, কূটনৈতিক বৈঠক, সমঝোতা স্মারক কিংবা বিনিয়োগের আশ্বাসই শেষ কথা নয়। এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের মধ্য দিয়েই সফরের সাফল্য মূল্যায়িত হবে।

বিশেষ করে জাপানি বিনিয়োগ কত দ্রুত বাস্তব প্রকল্পে রূপ নেয়, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসে কি না এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ কতটা বাড়ে—এসব বিষয় আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাহসিফের সুরতহাল প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য

জাপান সফর শেষে রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

চার দিনের জাপান সফর শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইট টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চার দিনের এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও শিল্প খাতে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিয়ে তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তিনি।

জাপান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, অবকাঠামো, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান সরকারের সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নতুন এই সফরের মধ্য দিয়ে সেই সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, কূটনৈতিক বৈঠক, সমঝোতা স্মারক কিংবা বিনিয়োগের আশ্বাসই শেষ কথা নয়। এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের মধ্য দিয়েই সফরের সাফল্য মূল্যায়িত হবে।

বিশেষ করে জাপানি বিনিয়োগ কত দ্রুত বাস্তব প্রকল্পে রূপ নেয়, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসে কি না এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ কতটা বাড়ে—এসব বিষয় আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।