ভোলার দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৪৩ নম্বর উত্তর বিজয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শামসুল আলমের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়া, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট পড়ানো এবং নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, শিক্ষক শামসুল আলম নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন না। কখনো বিদ্যালয় চলাকালে দেরিতে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে পাঠদান শেষ না করেই চলে যান। তাঁর এমন কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষক মো. শামসুল আলমের সঙ্গে কথা বলা হয়। এ সময় তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমাকে কেউ মিথ্যা নাটক সাজিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। আমি নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসি, ক্লাস নিই এবং দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ফাঁকি দিই না। আমি প্রাইভেট পড়াই, এটা সত্য; তবে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নয়, বিকেলে প্রাইভেট পড়াই।”
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সোহেল বলেন, “শামসুল আলম স্যার নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন এবং ক্লাস নেন। তিনি দায়িত্ব পালনে কোনো ফাঁকি দেন না।”
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও যথাযথ পাঠদান শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অন্যতম শর্ত। তাই এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা জরুরি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























